Saturday, November 18, 2017

৩৮তম বিসিএস: পদার্থবিজ্ঞান



                        পদার্থবিজ্ঞান -১

১।প্রকৃতিতে বিদ্যমান মৌলিক বল কতটি ?
= ৪টি । মহাকর্ষ , তাড়িত চৌম্বক , দুর্বল নিউক্লিয়, সবল নিউক্লিয়
২।ঘড়ির কাঁটার গতি কীরুপ?
= পর্যাবৃত্ত গতি
৩।বোসন কণা করা নাম অনুসারে করা হয়েছে?
= সতেন্দ্রনাথ বোস
৪।কোন গাড়িতে হার্ড ব্রেক কষলে গাড়িটি না থেমে খানিকটা অগ্রসর হয় - এটি কোন ঘর্ষণ ?
= পিছলানো ঘর্ষণ
৫।কোন ঘর্ষণের কারণে প্যারাসুটের আরোহী ধীরে ধীরে মাটিতে নিরাপদে নেমে আসে?
= প্রবাহী ঘর্ষণ
৬। পৃথিবীর কোন বল সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী ?
= সবল নিউক্লিয়
৭।কাজ কোন রাশি?
= স্কেলার
৮।তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান উপাদান কোনটি?
= কয়লা
৯। প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান কোনটি?
= মিথেন
১০।ভূ-পৃষ্ঠ থেকে কোন বস্তুকে উপরে তুললে কোন বলের বিরুদ্ধে কাজ করতে হয়?
= অভিকর্ষ
১১। ছাদ থেকে ফেলা ইট/ পাথর , টান টান স্প্রীং এ কোন শক্তি থাকে?
= গতিশক্তি ( যখন স্থির থাকে তখন বিভব শক্তি )
১২। সর্বপ্রথম জোয়ার ভাটার শক্তিকে কাজে লাগিয়ে কোথায় বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়?
= ফ্রান্সে
১৩।গলিত শীলাকে কী বলে?
= ম্যাগমা
১৪।ভূ- তাপীয় শক্তিকে  কাজে লাগিয়ে কোথায় বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়?
-= নিউজিল্যান্ড
১৫।বায়োমাস কী?
= সৌর শক্তির একটি অংশ সবুজ গাছ পালা দ্বারা সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় রাসায়নিক শক্তিরুপে গাছপালার বিভিন্ন অংশে মজুদ থাকে । এটি সাধারণত হাইড্রোজেন ও কার্বন দিয়ে গঠিত।
১৬। নবায়ন যোগ্য শক্তির অন্যতম উৎস কোনটি?
= বায়োমাস
১৭। ঝরনার পানি নিচে পতিত হলে কোন শক্তির রুপান্তর হয়
= বিভব শক্তি গতিশক্তিতে
১৮। ১ অশ্ব ক্ষমতা = কত ওয়াট?
= ৭৪৬
১৯। কোন বৈদ্যুতিক বাতির গায়ে 60w লেখা থাকা অর্থ কী?
= বাতিটি প্রতি সেকেন্ডে ৬০ জুল তড়িৎ শক্তিকে তাপ ও আলোক শক্তিকে রুপান্তর করে
২০।বিভিন্ন অনুষ্ঠানের উদ্বোধনের সময়ে উড়ানো বেলুনে কোন গ্যাস থাকে?
= হাইড্রোজেন
২১।পৃথিবী পৃষ্ঠে বায়ুমণ্ডলের চাপ কত?
= ১০ নিউটন  অথবা ৭৬ সে.মি. পারদ স্তম্ভের চাপ
২২।এভারেস্ট পর্বতশৃঙ্গের উপরে বায়ুমণ্ডলীয় চাপ সমুদ্র সমতলের চাপের কত %?
= ৩০%
২৩। পদার্থের চতুর্থ অবস্থার না কী?
= প্লাজমা
২৪। প্লাজমা কী?
= অতি উচ্চ তাপমাত্রায় আয়নিত গ্যাস । প্লাজমার বড় উৎস সূর্য
২৫। তাপ ও কাজের একক কী?
= জুল। ১ক্যালরি = ৪.২ জুল ।
২৬। পানির ত্রৈধ বিন্দুর তাপমাত্রা কত?
= ২৭৩ কেলভিন
২৭।একজন সুস্থ মানুষের দেহের তাপমাত্রা কত?
= ৯৮.৪ ডিগ্রী ফারেনহাইট বা ৩৬.৮৯ সেলসিয়াস ।
২৮।রেল লাইন নির্মাণের সময় দুটো রেল যেখানে মিলিত হয় , সেখানে একটু ফাঁকা রাখা হয় কেন ?
= তাপীয় প্রসারণের জন্য রেল লাইনের বিকৃতি পরিহার করার জন্য
২৯।ঘর্মাক্ত দেহে পাখার বাতাস আরাম দেয় কেন?
= বাষ্পায়ন শীতলতার সৃষ্টি করে ।
৩০। শব্দ কোন ধরনের তরঙ্গ?
= অনুদৈর্ঘ তরঙ্গ
---..........  চলবে ........

Zakir's BCS specials

Friday, November 17, 2017

৩৮তম বিসিএস: Confusing English



Image result

Most Confusing English for Exam.


1. Lay-laid-laid_means keep something.
Ex.The postman laid the mail yesterday.
Ex2, He lays the mail on the table.
-
2. Lie-lay-lain_means to sleep.
Ex. He lies on the sofa.
Ex2, He lay on sofa yesterday.
.
3. We are not agree on the point.
But, He is agree to my proposal.
4. Let me die in peace.
But, He died by accident, for country, from over eating, of cancer.
5. He is looking into the matter. But, He is looking over (examining) the answer sheet.
6. Wordly, Earthly, Cowardly, Sprightly is Adjective.
N.B when Noun+ly then it becomes adjective. But, Adjective+ly= Adverb.
7. "She Walks in Beauty"_written by Lord Byron. But, "I Died For Beauty"_written by Emily Dickinson.
8. Who wrote, "Half a league, half a league "_ Lord Alfred Tennyson.
9. "Hold fast to dream" by Langston Huges.
But, "All people dream but not equally" by D.H Lawrence.
10. 'Dreams' poem _by_ D.H Lawrence and Langston Huges.
/
NURUZZAMAN,
Law Department,
University of Dhaka
.

প্রিলি থেকে বুঝে নিতে হবে বিসিএস প্রস্তুতি কিভাবে নিতে হয়


Manna Dey
ASP , 34th BCS

আপনি যখন পড়বেন তিনটি ব্যাপার ঘটে।
১. আপনি বিষয়টি আগে থেকে জানেন ও পারেন।
২. আপনি বিষয়টি আগে থেকে জানেন কিন্তু পারেন না। এখন করার পর পারছেন।
৩. আপনি জানতেনও না । এখন করার পর পারছেনও না। সব আপনি পারবেন এমন কোন কথা নাই বস।
আমরা , আপনারা আইনস্টাইন, নিউটন নই। নই আর্কিমিডিস ও । আমরা আম জনতা। অতিসাধারন কিছু প্রাণি। তো অসাধারন হওয়ার চেষ্টা করবেন না। দরকার ও নাই।
যদি আপনি কঠিন বিষয় আয়ত্ত করতে চান তাহলে আপনি তা ৪০-৫০ % করতে পারবেন। এতে আপনার ব্রেনের উপর চাপ বাড়বে অনেক। আপনি তো জানেন আমাদের অলস মতিষ্ক গুলো কতো নাজুক। এমনি পড়তে চায় না। তার উপর চাপ দিলে একদম পড়তে চাইবে না।
তাই খুব কঠিন বিষয় জেনে নিজেকে মহাপন্ডিত ভেবে শুধু ভাব নিয়ে ঘুরে বেড়ানো বুদ্ধিমানের কাজ নয়।
উদাহরণ দিই..........
ধরুন , আপনি সাধারণ  জ্ঞানে অসাধারণ। আবার ইংরেজী ও ম্যাথে অতিসাধারণ । কিংবা বিজ্ঞান ও ম্যাথে খুব ভালো। কিন্তু ইংরেজী দেখলে ঘুম আসে।
হ্যালো বস। আপনি প্রথম পছন্দ মিস করছেন নিশ্চিতভাবে । গ্যারান্টি আমি দিবো।
তাহলে কী করা যাবে??/
আসুন এবার লাইনে।
প্রতিটি বিষয়ে খুব ভাল হওয়া অসম্ভব। সবার ই কিছু না কিছু বিষয়ে ভাল ধারনা থাকে ।
যে বিষয়গুলো আপনি পারেন না । তা একেবারে বেসিক থেকে শুরু করবেন। ধীরে ধীরে জানার চেষ্টা করবেন। নিজেকে সন্তুষ্ট রাখবেন জ্ঞাণ দিয়ে । নতুন নতুন জানাকে উপভোগ করবেন।
একসময় আপনি সবগুলো বিষয়েই মোটামুটি ভাল হয়ে যাবেন। ব্যাস আপনি বিসিএস ক্যাডার হওয়ার জন্য প্রস্তত।
কিছু বিশেষ কথা:::::::::
আপনি যা জানেন না তা আপনার বন্ধুর থেকে শিখবেন। মনে রাখবেন বন্ধুর চেয়ে ভালো শিক্ষক আর কেউ হয় না। আমার জীবনে ও আমার শিক্ষক বন্ধুরা। আমি কৃতঙ্গ তাদের কাছে , চিরকৃতঙ্গ।
যারা বন্ধুর থেকে শিখবেন না শুধু নিজের উঠতি মান সম্মান ও ভাব বাচানোর জন্য । ইন ফিউচার সে উঠতি ভাব আর থাকবে না।
আর আপনি যা জানেন তা সবাই শিখাবেন। জ্ঞান ও অর্থ দানে বাড়ে , কমে না। কে যেন বলেছিলেন কথাটা ? ভুল বলেন নাই।
শিখবেন , শিখাবেন, পড়বেন , এ করে এই সময়টা উপভোগ করবেন।
এর মাঝখানে বন্ধুরা ব্যাংক ও বিভিন্ন জায়গায় পরীক্ষা দিবে। আপনি দিবেন না।
তারা ভাইভা দিবে , আপনি দিবেন না।
তারা চাকরি ও পাবে আপনি পাবেন না।
কিন্তু মজার ঘটানা তার পর ঘটবে...................................
তারা আবার বিসিএস দিবে আপনার চেয়ে খারাপ প্রস্তুতি নিয়ে । আপনি এগিয়ে ,,, শেষপর্যন্ত এগিয়ে।
THANKS ALL
………………………….

Thursday, November 16, 2017

৩৮তম বিসিএস: গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার সদস্য সংখ্যা



           গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার সদস্য সংখ্যা
.
UN = 193
EU= 28
World Bank-189
IMF -189 (সর্বশেষ: নাউরু)
IBRD-189
Commonwealth - 52( মালদ্বীপ বাদ )
NATO  - 29( সর্বশেষ:মন্টিনিগ্রো)

WTO-164(Afghanistan)­- (Roberto Azevedo - Director General)
OPEC - ১৪ (নিরক্ষীয় গিনি)
APEC -21
OIC-57
African Union-55 ( last মরক্কো)
UNESCO = 195( যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া ঘোষণা দিয়েছে , কার্যকর হবে ২০১৮)
ECOSOC = 54
SAARC= 8( মহাসচিব : আমজাদ হোসেন সিয়াল)
BIMSTEC=7 ( সদর দপ্তর : ঢাকা , মহাসচিব : শহিদুল ইসলাম)
IAEA-168 ( president - yukia Amano)-1957
NAM-120
IDB-57(  headquarter: jeddah)
ADB - 67 -president  takihiki Nakao
NDB = 5
AIIB=57 member + 23 Prospective member =80 ( president : Jin Liqun)

ASEAN = 10
ARF = 27
LDC= 47
G-20 = 19 + EU
G-7 = 7
G-77=134
====

Copied

Wednesday, November 15, 2017

৩৮ তম বিসিএস প্রিলি প্রস্তুতির নির্দেশনা

   
   ৩৮ তম বিসিএস প্রিলি প্রস্তুতির নির্দেশনা


প্রিলিমিনারিতে টিকতে হলে এখন থেকেই চাই জোর প্রস্তুতি।
বিসিএস পরীক্ষার ডিফিকাল্টি লেভেল আমার কাছে কিছুটা ওভাররেটেড বলেই মনে হয়েছে। এটা তুমুল প্রতিযোগিতাপূর্ণ একটি পরীক্ষা-এটা যতটা সত্য, সত্যিকার অর্থে প্রতিযোগিতায় আসার মতো প্রার্থী খুব বেশি সাধারণত থাকে না, এটা আরো বেশি সত্য। দুটি ফ্যাক্ট শেয়ার করি।
এক. এই এক্সামে ৫০ শতাংশ ক্যান্ডিডেট যায় জাস্ট ঘুরতে, কোনো কারণ ছাড়াই, অনেকটা গেট-টুগেদার করতে। (মজার ব্যাপার হলো, এদের কেউ কেউ সফলও হয়ে যায়! ‘এলাম, দেখলাম, জয় করলাম’ টাইপের আরকি!)
দুই. রিয়েল কম্পিটিটিশনে আসার মতো ক্যান্ডিডেট থাকে মাত্র ৭ শতাংশের মতো। এর মানে, আপনার কম্পিটিটর আপনি যতটা ভাবছেন, তত বেশি না।
প্রিলিমিনারির একটি সিলেবাস পিএসসি প্রণয়ন করে দিলেও প্রকৃত অর্থে বিসিএসের কোনো সুনির্দিষ্ট সিলেবাস নেই। এই পরীক্ষায় শত ভাগ প্রস্তুতি নেওয়া কারোর পক্ষেই সম্ভব নয়।প্রিলিমিনারিতে ভালো করার জন্য কী কী পড়বেন, সেটা জানার চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো, কী কী বাদ দিয়ে পড়বেন, সেটা ঠিক করা। ৩৫তম বিসিএস প্রিলি : কিছু পর্যবেক্ষণ
* ক খ গ ঘ-এই সিরিয়ালটা বাম থেকে ডানে না দিয়ে ওপর-নিচে দেওয়ায় অনেক ক্যান্ডিডেটই অন্তত তিন-চারটা জানা প্রশ্নের উত্তর ভুল দাগিয়েছেন।
* এটি ‘এসো নিজেরা করি’ টাইপ কোনো প্রশ্ন না, তাই পরীক্ষার হলে কথা বলেও তেমন কোনো লাভ হয়নি।
* কোচিং সেন্টারে দৌড়ঝাঁপ করে আর গাইড বই পড়ে তেমন কোনো কাজই হবে না, যদি না নিজের মাথায় কিছু থাকে। ভালো প্রস্তুতি নেওয়া অপেক্ষা ভালো পরীক্ষা দেওয়াটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
* ‘অমুক কোচিং সেন্টারের সাজেশনে এত পার্সেন্ট কমন’, ‘তমুক গাইডের এতসংখ্যক প্রশ্ন কমন’-
এসব কথা বলার দিন শেষ হতে চলেছে, এটা আমার মনে হয়েছে।
* একেকভাবে ভাবলে একেক রকম উত্তর হয়-এমন প্রশ্ন অন্যান্যবারের তুলনায় গেল প্রিলিমিনারিতে বেশি ছিল। পিএসসি ইচ্ছা করেই এ গেমটা খেলে, যাতে কেউ সেগুলো উত্তর না করে। নেগেটিভ মার্কিংয়ের ফাঁদে পড়ে বিসিএসের আসর থেকে ছিটকে পড়েছেন অনেকেই। লোভে পাপ, পাপে নেগেটিভ মার্কস!
* প্রশ্নটি ভালোভাবে দেখলে খেয়াল করবেন, আপনার অ্যাকাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ড যা-ই হোক না কেন, আপনি কোনো বাড়তি সুবিধা পাচ্ছেন না।
* এখন থেকে সব সময় পরীক্ষা এ স্টাইলেই হলে প্রশ্নব্যাংক, ডাইজেস্ট, জব সলিউশন, কোচিং সেন্টারের দৌরাত্ম্য কমে যাবে কিংবা ওদের সেবাদানের ধরন বদলাতে হবে। স্রেফ মুখস্থ বিদ্যার জোরে আমলাতন্ত্রে আসারও দিন শেষ।প্রশ্ন কোথা থেকে হয়? যাঁরা প্রশ্ন করেন, তাঁদের কী সময় আছে গাইড বই দেখে প্রশ্ন করার? কিংবা কোচিং সেন্টারের গাদা গাদা ‘শিটমার্কা’ শিট পড়ার? সত্যিই নেই। গতবারের বিসিএস পরীক্ষা সেটা প্রমাণ করে দিয়েছে। একটা গ্রামারের প্রশ্ন না পারলে আমরা গাইড বই খুঁজতে শুরু করি। একেক গাইডে একেক রকমের উত্তর। এরপর কোচিংয়ের স্যারদের পেছনে ছুটি। কী দরকার, ভাই? ওই গাইড বইয়ের লেখক কিংবা ওই কোচিংয়ের স্যার কি আপনার চেয়ে খুব বেশি জানেন? কী হয় একটু কষ্ট করে ডিকশনারির এন্ট্রিতে গিয়ে এক্সাম্পলগুলো স্টাডি করে শিখলে? একটা প্রশ্ন কিন্তু আরো কয়েকটা প্রশ্নের সূতিকাগার। ওই বইগুলো হচ্ছে সব গাইড বইয়ের বাইবেল। ওখানে যা আছে সেটাই কারেক্ট। ব্যাপারটা খুব কঠিন কিছু না। বই দুটির পৃষ্ঠা উল্টে উল্টে প্রশ্ন সলভ করার প্র্যাকটিস করবেন। প্রথম প্রথম একটু বিরক্ত লাগবে, আস্তে আস্তে অভ্যাস হয়ে গেলে সেটি নেশায় পরিণত হবে। আমি ‘আপনি আচরি ধর্ম অপরে শেখাও’ নীতিতে বিশ্বাসী। আমি নিজে ওই কাজটা করেছি, তাই আপনাদেরও করতে বলছি। এই কষ্টটা করতে না পারলে, আপনার জন্য একটাই পরামর্শ-ভুল শিখুন, ভুল করুন, ফেল করুন।
অনেকেই বলবেন, আমার তো অমুক অমুক প্রশ্ন পড়া শেষ! আপনার আগে কেউ পড়া শেষ করলেই যে শেষ হাসিটা তিনিই হাসবেন, এমন কোনো কথা নেই। নিজের অভিজ্ঞতা থেকে লিখছি, প্রস্তুতি নিতে গিয়ে জানলাম, অনেকের অনেক কিছু পড়া শেষ। 3 Idiots তো দেখেছেন। বন্ধুর খারাপ রেজাল্টে যতটা মন খারাপ হয়, বন্ধুর ভালো রেজাল্টে তার চেয়ে বেশি মেজাজ খারাপ হয়। যখন দেখলাম, আমি অন্যদের তুলনায় বলতে গেলে কিছুই পারি না, তখন আমি দুটি কাজ করলাম। এক. বোঝার চেষ্টা করলাম, ওরা যা পারে, সেটা পারাটা আদৌ দরকার কি না? দুই. ওদের সঙ্গে নিজেকে তুলনা করা বন্ধ করে গতকালকের আমির সঙ্গে আজকের আমিকে তুলনা করা শুরু করলাম।
* কোচিং কিংবা এদিক-ওদিক দৌড়াদৌড়ি না করে বাসায় বসে অনেক সময় দিয়ে পড়াশোনা করুন। দিনে অন্তত ১৫-১৬ ঘণ্টা পড়াশোনা করুন। ঘুম, বিশ্রাম আর ঘোরাঘুরি হবে চাকরি পাওয়ার পর।
* গাইড বইয়ের প্রশ্নগুলো যত বেশি সম্ভব, সলভ করে ফেলুন। যত বেশি প্রশ্ন সলভ করবেন, প্রস্তুতি ততই ভালো হবে। মডেল টেস্টের তিন-চারটি বই কিনে প্রতিদিন অন্তত দু-তিনটি মডেল টেস্ট দিন। মডেল টেস্টে একটু কম মার্কস পেলেও মন খারাপ করার দরকার নেই।
* গ্রুপ স্টাডি করা কতটুকু দরকার? এটা আপনার অভ্যাসের ওপর নির্ভর করে। আমার এই অভ্যাস ছিল না।
* মাঝেমধ্যে পড়তে ইচ্ছা করবে না, আমারও করত না। সারাক্ষণ পড়তে ইচ্ছা করাটা মানসিক সুস্থতার লক্ষণ নয়।
* কেউ আপনার চেয়ে ভালো ছাত্র হওয়া মানেই এ নয় যে তিনি প্রিলিমিনারি পাস করবেন, আপনি করবেন না। শেষ হাসিটা হাসার চেষ্টা করুন।
সবার প্রস্তুতি ভালো হোক।
সুস্থ থাকুন ভালো থাকুন......

সৌজন্য: সুশান্ত পাল

৩৮ তম বিসিএস: সাধার­ণ জ্ঞান


           ৩৮ তম বিসিএস প্রিলি. প্রস্তুতি

##গুরুত্বপূর্ণ_সাধার­ণ_জ্ঞান
১) সব্যসাচী শিল্পী খেতাব দেয়া হয় - শিল্পী মুস্তফা মনোয়ারকে
২) দেশে স্মার্ট কার্ড বিতরন শুরু হয় - ২ অক্টোবর ২০১৬
৩) 4G প্রথম চালু হয় - দ. কোরিয়ায়, ২০০৬ সালে
৪) সর্বাধিক টাইম জোন রয়েছে - ফ্রান্সে, ১২ টি
৫) বিশ্বের সবচেয়ে প্রশস্ততম ঝুলন্ত সেতুর নাম - ইয়াভুল সুলতান সেলিম, ইস্তাম্বুল, তুরস্ক, ২৬ আগষ্ট ২০১৬
৬) ব্ল্যাক কোরাল মাছ পাওয়া যায় - প্রশান্ত মহাসাগরে
৭) প্রশান্ত মহাসাগরের হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জকে বিশ্ব ঐহিত্য স্থান ঘোষণা করা হয় - ২০১০ সালে
৮) কমনওয়েলথ জলবায়ু তহবিল গঠন করা হয় - ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৬
৯) এই জলবায়ু তহবিলে ২০২০ সালের মধ্যে তহবিল গঠন করা হবে - ১০ হাজার কোটি ডলারের
১০) চীন কার্বন নিঃসরণ করে - ২৫%
১১) যুক্তরাষ্ট্র কার্বন নিঃসরণ করে - ১৫%
১৩) প্যারিস জলবায়ু চুক্তি সম্পাদিত হয় - ১২ ডিসেম্বর ২০১৫, প্যারিস, ফ্রান্স
১৪) বাংলাদেশ প্যারিস জলবায়ু চুক্তিততে স্বাক্ষর করে - ২২ এপ্রিল ২০১৬ সালে
১৫) বর্তমানে 4G চালু রয়েছে বিশ্বের - ১৬৫ টি দেশে
১৬) বর্তমানে ইন্টারনেট সেবার বাইরে রয়েছে বিশ্বের - ৫৩% মানুষ
১৭) যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার নাম অনুসারে প্রশান্ত মহাসাগরে প্রাপ্ত নতুন প্রজাতির মাছের নাম - " ওবামা " মাছ রেখেছেন বিজ্ঞানীরা
১৮) ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত হয়েছে আ. লীগের - ২০ তম সম্মেলন
১৯) স্মার্ট কার্ডের জনক - রোল্যান্ড মোরেনো
২০) প্যারিস জলবায়ু চুক্তি কার্যকর হয় - ৪ নভেম্বর ২০১৬ সালে
২১) কমনওয়েলথ এর বর্তমান সদস্য দেশ - ৫২
২২) প্রতিযোগিতা সক্ষমতায় বাংলাদেশের অবস্থান - ১০৬ তম
২৩) বাংলাদেশে বর্তমানে বাঁশ রয়েছে -৩৩ প্রজাতির
২৪) বাংলাদেশ পুলিশের ডগ স্কোয়াডকে ডাকা হয় - কে নাইন
২৫) বর্তমানে দেশে দৈনিক পত্রিকার সংখ্যা - ৯৭৯ টি
২৬) পারফিউম প্রথম তৈরি হয় - ফ্রান্সের গ্রাসে
২৭) " শেকড় থেকে শিখরে " নামে বঙ্গবন্ধুর সর্ববৃহৎ আবক্ষ ভাস্কর্য নির্মিত হয়েছে - পাবনার বেড়া উপজেলার নাটিয়াবাড়ি নামক স্থানে ( ১৮ ফুট উচ্চতা)
২৮) এই ভাস্কর্যের ভাস্কর - বিপ্লব দত্ত
২৯) মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে তৈরি সর্ববৃহৎ গেমস - যুদ্ধ '৭১
৩০) বায়ু দূষনে বিশ্বে প্রতিবছর মারা যায় - ৩০ লাখ মানুষ
৩১) বাংলাদেশে বায়ু দূষণ জনিত দৈনিক মৃত্য ১০৩ - জনের
৩২) বাল্যবিবাহের দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশ - ২য়, ১ম নাইজেরিয়া
৩৩) বর্তমানে গেজেটপ্রাপ্ত বীরাঙ্গনা মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা - ১৮৮জন
৩৪) বর্তমানে গেজেট প্রাপ্ত শব্দ সৈনিক মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যার - ২৫৩জন
৩৫) বর্তমান বিশ্বে ইলিশ উৎপাদিত হয় - ১১ টি দেশে

সালমান চৌধুরী পিয়া­স

Tuesday, November 14, 2017

The Daily Star থেকে কিছু শব্দ


গত কয়েকদিনের The Daily Star থেকে কিছু শব্দ

1.Yell- আর্তনাদ করা
2.Subtle - চাতুর্যময়
4.Limelight - প্রখর আলো
5.Cannabis- ভাং; মাদকদ্রব্য বিশেষ
6.Patriarchy-পুরুষতা­ন্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা
7.Distort- বিকৃত করা
8.Squall- আকস্মিক ঝড় বৃষ্টি
9.Hail- অভিবাদন; শিলাবৃষ্টি
10.Breeding - প্রজনন।
11.Stun- অচেতন করা
12.Snippets- টুকিটাকি
14.Deceased- মৃত্যু
15.Flank- ধার; কিনারা
16.Sedition- রাজদ্রোহ মূলক কথা
17.Frisk- প্রফুল্ল
18.Rescue- উদ্ধার করা
19.Demonstration- প্রতিপাদন; প্রমাণ; উপস্থাপন
20.Heed- মনোযোগ দেয়া
21.Dubious- সন্দেহজনক
22.Hellbent- নাছোড়বান্দা
23.Flake- থাক করা; আঁইশ উঠা
24.Fruition- সি্দ্ধি/সফলতা
25.Hard to swallow- অবিশ্বাস্য
26.Staggering- টলটলায়মান
27.Dressage- ঘোড়ার তালিম/ প্রশিক্ষণ
28.Equestrian- অশ্বারোহন
29.Hedge- প্রতিবন্ধক
30.Predominately- প্রধানত
/
এম এম মুজাহিদ উদ্দীন
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।

নোবেল প্রাইজ 2017 মনে রাখার টেকনিক!!


নোবেল প্রাইজ 2017 মনে রাখার টেকনিক!!


.
**থালা-বাটির অর্থ নিয়ে সাহিত্যের কাজু এখন শান্তির ICON.
____________________­__
থালা বাটির অর্থ= অর্থনীতিতে-রিচার্ড এইচ থ্যালার
সাহিত্যের কাজু=সাহিত্যে-কাজুও ইশিগুরো
শান্তির ICON=শান্তিতে-ICAN
.
**ইয়াং মাইকেল মেডিকেল হল-এ গেল.
মেডিকেল=চিকিৎসায়
____________________
ইয়াং=মাইকেল ডব্লিউ ইয়াং
মাইকেল=মাইকেল রসবাস
হল=জেফরি সি. হল
.
**জ্যাক (টাইটানিকের নায়ক) কিম (উ. কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট) ও Rose (নায়িকা) এর
রসায়ন নিয়ে খুবই বিরক্ত.
রসায়ন=রসায়নে
___________
জ্যাক=জ্যাক দুবোশে
কিম =জোয়াকিম ফ্রাঙ্ক
Rose= রিচার্ড হ্যান্ডারসন
.
**কিপ থর্ন বললো,যৌগিক পদার্থ Rain এর বাংলা অর্থ বারি.
পদার্থ=পদার্থে
______________
কিপ থর্ন=কিপ এস থর্ন
Rain=রেইনার ওয়েস
বারি=ব্যারি সি. ব্যারিশ
.//
এই অসাধারণ কাজটি করেছেন
Abdullah Al Mamun , ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় , কুষ্টিয়া ।

Monday, November 13, 2017

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পররাষ্ট্র ক্যাডার।

           

             জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পররাষ্ট্র ক্যাডার।


আবার ও প্রমানিত হল যে প্রচেষ্টা, ধৈর্য, অধ্যবসায় এবং ইচ্ছাশক্তি মানুষকে অনেক দূর নিয়ে যেতে পারে। জীবনে কোন এক স্তরে যদি আপনি হেচটখান তাহলে ইচ্ছাশক্তির বলে সামনে উঠেদাঁড়ানো জন্য অনেক সম্বল পেয়ে যাবেন।

ফাল্গুনী বাগ্চী তার উদাহরণ।  কোন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে না পড়েও তিনি দেখিয়ে দিয়েছেন যে কিভাবে স্বপ্ন চুড়ায়  পৌছানো যায়। কিভাবে সব বাধা টপকানো যায়। যুদ্ধে কিভাবে জয়লাভ করা যায় সেটা হয়ত তার প্রথমে জানা ছিল না কিন্তু পথ চলতে চলতে তা আর অজানা রইল না তার কাছে। সে এবং তার মত অনেক জাতীয় বিশ্ববিদ্যালইয়ের ভাই বোনেরা দেখিয়ে দিয়েছেন            কিভাবে কন্টকাকীর্ণ পথ পাড়ি দিতে হয়। পথ কখনই সহজ হয় না পথকে সহজ করতে হয়। এটা অবশ্যই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এর ছাত্র ছাত্রীদের জন্য একটা সুখবর, সবাই যেখানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে একটু হেয় করে দেখে সেখান থেকে এমন সাফল্য। জাতীয় মেধাতালিকায় ১৩তম হয়ে পররাষ্ট্র ক্যাডারে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন তিনি। ফারিদপুর সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজ থেকে ইংরেজিতে অনার্স করে ফারিদপুরের ঐতিহ্যবাহী সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ থেকে মাস্টার্স করেছেন। তারপর আস্তে আস্তে পথ চলতে চলতে নিজের ইচ্ছাশক্তিকে কাজে লাগিয়ে তার স্বপ্নকে ছোঁয়ার জন্য প্রস্তুত হয়েছেন। গল্প তা খুবুই সাধারণ ঠিক যেন ফাল্গুনী বাগ্চী এর জীবনের মতই সাধারণ।

ফারিদপুর থেকে মানে সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ  থেকে এবছর এমন আরও বিসিএস ক্যাডার হয়েছেন অন্তরা মল্লিক (খাদ্য)। তিনিও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পেয়েছেন। এখানে সুধু ফারিদপুর এর গল্প বলা হল। এমন প্রতি জেলা থেকেই কিছু না কিছু জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রতি বছর বিসিএস ক্যাডার হচ্ছে।


এমন আরও অনেক গল্প আছে যা কিনা আমাদের কাছে সব সময় অজানাই থেকে যায়। একদম সঠিক তথ্য পাওয়া খুব কঠিন তবে এটা ধারণা করা যায় যে প্রতি বছর ২০% এর বেশি ছাত্র ছাত্রী জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিসিএস এ চান্স পায়। এটা কি কম? নিঃসন্দেহে কম নয়, কারণ সারা দেশ থেকে সব বিশ্ববিদ্যালয় মিলে ৮০% এর কম বিসিএস পায়। তাই এখনও সময় আছে আজ থেকেই সুরু করে দিন আপনার স্বপ্নকে ছোঁয়ার জন্য যাবতীয় প্রস্তুতি। কে জানে হয়ত আগামী দিনে আপনার নামও ওই জায়গায় থাকতে পারে।

আর তাই মানুষের কথায় কান না দিয়ে জীবনকে নিজে গুরুত্ব দেয়া শিখুন। মনে রাখবেন নিজে যদি নিজের জীবন এর মূল্য দিতে না পারেন তাহলে অন্যরা কিভাবে মূল্য দিবে। জীবন এর বাস্তবতাটা বুজতে শিখুন। জীবনের মূল কথা হল যে, আপনি জীবনে জয়লাভ করলেন কি করলেন না সেটা বড় কথা না বড় কথা হল আপনি কি চেষ্টা করেছেন??



৩৮তম বিসিএস: সাহিত্যের ছন্দ


                                        বাংলা সাহিত্যের ছন্দ:


বাংলা ছন্দ প্রধানত তিন প্রকার যথা: স্বরবৃত্ত, মাত্রাবৃত্ত ও অক্ষরবৃত্ত।
তাছাড়া মনে রাখবেনঃ 
পয়ার ছন্দে- অন্ত্যমিল থাকে।
অমিত্রাক্ষর- অন্ত্যমিল নেই।
স্বরবৃত্ত ছন্দকে লৌকিক ছন্দ বলে।
মাত্রাবৃত্ত ছন্দকে ধ্বনির প্রধান ছন্দ বলা হয়।
অক্ষরবৃত্ত ছন্দকে তান প্রধান ছন্দ বলে।
ছড়া- স্বরবৃত্ত ছন্দে রচিত হয়।
ছন্দের প্রবর্তকঃ
অমিত্রাক্ষর-মাইকেল মধুসূদন দত্ত
স্বরাক্ষরিক ছন্দের প্রর্বতক করেন-সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত।
গদ্য ছন্দের প্রবর্তন করেন-সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত।
মুক্তক ছন্দের প্রবর্তন করেন-কাজী নজরুল ইসলাম।
সমিল মুক্তক ছন্দের প্রবর্তন করেন- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
কবি উপাধিঃ
ছন্দের যাদুকর বলা হয় == সত্যেন্দ্রনাথ দত্তকে।
ছান্দসিক কবি বলা হয় == কবি আব্দুল কাদিরকে।
অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত:
১। তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য- মাইকেল মধুসূদন দত্ত
২। মেঘনাদবধ কাব্য- মাইকেল মধুসূদন দত্ত
৩। পদ্মাবতী(দ্বিতীয় অঙ্ক)- মাইকেল মধুসূদন দত্ত
৪। বীরাঙ্গনা কাব্য- মাইকেল মধুসূদন দত্ত
অক্ষরবৃত্ত ছন্দে রচিত:
১। বঙ্গভাষা- মাইকেল মধুসূদন দত্ত
২। তাহারেই পড়ে মনে- সুফিয়া কামাল
৩। একটি ফটোগ্রাফ(মুক্ত অক্ষরবৃত্ত)- শামসুর রহমান
৪। বাংলাদেশ- অমিয় চক্রবর্তী
মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত:
১। চর্যাপদ- হরপ্রসাদ শাস্ত্রী(আবিষ্কারক)
২। আঠারো বছর বয়স- সুকান্ত ভট্টাচার্য
৩। সোনার তরী- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৪। পাঞ্জেরী- ফররুখ আহমদ
৫। জীবন বন্দনা- কাজী নজরুল ইসলাম
৬। কবর- জসীমউদ্দিন
স্বরবৃত্তে ছন্দে রচিত:
১। বাংলা আমার- কায়কোবাদ
মিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত:
১। ব্রজাঙ্গনা কাব্য- মাইকেল মধুসূদন দত্ত
মিত্রাক্ষর ও অমিত্রাক্ষর উভয় ছন্দে রচিত:
১। চতুর্দশপদী কবিতাবলী- মাইকেল মধুসূদন দত্ত
গদ্যছন্দে রচিত:
১। আমার পূর্ব বাংলা- সৈয়দ আলী আহসান
///
সংগৃহীত

Sunday, November 12, 2017

দেশ পরিচিত: উত্তর কোরিয়া



                      দেশ পরিচিত 

বর্তমান সময়ের আলোচিত দেশে হলো "উত্তর কোরিয়া" ! চলুন এই দেশটি সম্পর্কে জেনে নিই 
রাজধানী -পিয়ংইয়ং
ভাষা-কোরিয়ান
মুদ্রা-ওন
বর্তমান প্রেসিডেন্ট : কিম জং-উন
১৯৪৫: জাপানের ঔপনিবেশিক শাসন থেকে মুক্ত হয়ে স্বাধীন দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে কোরিয়া।
১৯৪৮: কোরিয়া ভাগ হলো। সৃষ্টি হলো উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া। উত্তর কোরিয়ার সমর্থনে ছিল তৎকালীন সোভিয়েত রাশিয়া এবং দক্ষিণ কোরিয়ার পৃষ্ঠপোষকতায় ছিল যুক্তরাষ্ট্র।
১৯৫০-৫৩: কোরীয় যুদ্ধ।
১৯৯৪: উত্তর কোরিয়ার প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট কিম ইল-সংয়ের মৃত্যু। ক্ষমতায় আসেন তাঁর ছেলে কিম জং-ইল।
২০০২: উত্তর কোরিয়াকে ‘শয়তানের অক্ষরেখা’ বলে অভিহিত করে যুক্তরাষ্ট্র। শুরু হয় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার দশকব্যাপী দ্বন্দ্ব।
→দুই কোরিয়ার মধ্যে যুদ্ধ সংঘটিত হয়-১৯৫০ সালে
→যুদ্ধের অবসান ঘটে-১৯৫৩ সালে
→সাংবিধানিক দিক থেকে উত্তর কোরিয়া -কমিউনিস্ট একনায়ক
 উত্তর কোরিয়ার জন্ম থেকেই সর্বোচ্চ নেতার পদে থাকছেন কিম বংশের উত্তরাধিকারীরা। প্রতিষ্ঠার পর দেশটির প্রথম সর্বোচ্চ নেতা ছিলেন কিম ইল-সাং। এরপর ক্ষমতায় আসেন তাঁর ছেলে কিম জং-ইল। ২০১১ সালের ডিসেম্বর মাসে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তাঁর। এরপর দেশটির সর্বেসর্বা হন কিম জং-ইলের ছেলে কিম জং-উন। তাঁর অধীনে উত্তর কোরিয়ার সামরিক বাহিনীর কাঠামোতে ব্যাপক পরিবর্তন আসে। একই সঙ্গে দেশটির পরমাণু কর্মসূচি-সংক্রান্ত কৌশলও আগ্রাসী হয়ে ওঠে। এ নিয়ে বিশ্বের পরাশক্তিদের সঙ্গে শুরু হয় উত্তেজনা।
অন্যদিকে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার আমল থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের সরকার এশিয়ায় নতুন চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করছে। নরমে-গরমে পরিস্থিতি সামলাতে চাইছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ। কূটনৈতিক প্রচেষ্টার পাশাপাশি চলছে মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে একের পর সামরিক মহড়া। কোরীয় উপদ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় বন্ধু হলো জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া। এদের রক্ষা করতে গিয়ে ডলারও খরচ হচ্ছে বেশ।
/
সূত্র: প্রথম আলো

৩৮তম বি.সি.এস প্রিলি: সাম্প্রতিক নিউজ




১০ নভেম্বর, গণতন্ত্রের তাজা রক্তক্ষয়ের দিন : শহীদ নূর হোসেন দিবস/ ঐতিহাসিক ১০ই নভেম্বর দিবস
____________________­___________
কে এই নূর হোসেন ??

নূর হোসেন (১৯৬১ - ১০ নভেম্বর ১৯৮৭) বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সবচেয়ে স্মরণীয় নাম। ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি লেফটেন্যান্ট জেনারেল হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে সংগঠিত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন চলাকালে পুলিশের গুলিতে তিনি নিহত হন।
.
( নূর হোসেনের পৈতৃক বাড়ি পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার ঝাটিবুনিয়া গ্রামে। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের পর তার পরিবার স্থান পরিবর্তন করে ঢাকার ৭৯/১ বনগ্রাম রোডে আসে। পিতা মুজিবুর রহমান ছিলেন পেশায় আটো-রিকশা চালক। তাঁর মায়ের নাম মরিয়ম বিবি। অথর্নৈতিক অসচ্ছলতার কারণে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ার পর নূর হোসেন পড়াশোনা বন্ধ করে মোটর চালক হিসেবে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। নূর হোসেন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। তিনি ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের বনগ্রাম শাখার প্রচার সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন।)
____
_____
স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন
১৯৮৭ সালের ১০ই নভেম্বরের গণ আন্দোলন

১৯৮৭ সালের ১০ই নভেম্বর দেশের দুটি রাজনৈতিক দল বিএনপি ও আওয়ামী লীগ একত্র হয়ে স্বৈরশাসক এরশাদের পতনের লক্ষ্যে ঢাকা অবরোধ কর্মসূচির ঘোষণা করে। এরপূর্বে এরশাদ ১৯৮২ সালে একটি সেনা উত্থানের মধ্যদিয়ে ক্ষমতা গ্রহণ করেন এবং ১৯৮৭ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করেন, কিন্তু বিরোধী দলগুলো তার এই নির্বাচনকে জালিয়াতি বলে অভিযুক্ত করে। তাদের একমাত্র দাবী ছিল নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নিয়ন্ত্রণে জাতীয় সংসদ নির্বাচন করা। অবরোধ কর্মসূচীর অংশ হিসেবে ঢাকায় একটি মিছিলে নূর হোসেন অংশ নেন এবং প্রতিবাদ হিসেবে বুকে পিঠে সাদা রঙে লিখিয়ে নেনঃ ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক’ ।
.
মিছিলটি ঢাকা জিপিও-র সামনে জিরো পয়েন্টের কাছাকাছি আসলে স্বৈরশাসকের মদদপুষ্ট পুলিশবাহিনীর গুলিতে নূর হোসেনসহ মোট তিনজন আন্দোলনকারী নিহত হন, এসময় বহু আন্দোলনকারী আহত হন। নিহত অপর দুই ব্যক্তি হলেন যুবলীগ নেতা নুরুল হূদা বাবুল এবং আমিনুল হূদা টিটু।
:
প্রতিক্রিয়া ও ফলাফল
_________________
এই হত্যাকান্ডের প্রতিক্রিয়া স্বরূপ বিরোধী দলগুলো ১১ ও ১২ই নভেম্বর সারা দেশে সকাল সন্ধ্যা হরতাল ঘোষনা করে। বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী মানুষ বিক্ষোভে ফেটে পড়েন, ফলে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন আরোও ত্বরান্বিত হয়। এই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর জেনারেল এরশাদ পদত্যাগ করেন। এর মধ্য দিয়ে স্বৈরাচারী সরকারের পতন ঘটে গণতন্ত্র পুণ-প্রতিষ্ঠিত হয় এরশাদ পদত্যাগ করলে বাংলাদেশে দুটি হ্যাঁ-না ভোটের মধ্য দিয়ে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার এবং প্রধানমন্ত্রী শাসিত সরকার ব্যবস্থা চালু হয়। জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, এতে বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। এর এক বছর পর সরকারের পক্ষ থেকে নূর হোসেন এর মৃত্যুর দিনটি সরকারীভাবে উদযাপনে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। দিনটিকে প্রথমে ঐতিহাসিক ১০ই নভেম্বর দিবস হিসেবে ঘোষনা করা হলেও আওয়ামী লীগ এটিকে শহীদ নূর হোসেন দিবস করার জন্য সমর্থন প্রদান করে এবং এই নামটি এখন পর্যন্ত বহাল রয়েছে। পদত্যাগের পর এরশাদের জাতীয় পার্টি আওয়ামী লীগের সাথে একত্রে মহাজোট গঠন করে। ১৯৯৬ সালে এরশাদ, নূর হোসেনের মৃত্যুর জন্য জাতীয় সংসদে অফিসিয়াল ভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করে। তার দল জাতীয় পার্টি এখন ১০ই নভেম্বরকে গণতন্ত্র দিবস হিসেবে পালন করে।
_____
_____
নুর হোসেন সম্পর্কিত বিভিন্ন বক্তব্য
ঢাকার জিরো পয়েন্টকে পরবর্তিতে নূর হোসেন স্কয়ার নামকরণ করা হয়।
২০১২ সালে এরশাদ অভিযোগ করেন বিরোধী দলগুলো নূর হোসেনকে তার সরকার বিরোধী একটি প্রতীকে রূপান্তরিত করেছে। তিনি বলেন,
"আপনারা (বিরোধী দল) আমাকে সরাতে লাশ নিয়ে এসেছিলেন, কারণ আন্দোলনকে চাঙ্গা করতে এটা দরকার ছিল।"
:
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১০ই নভেম্বরের স্মৃতিচারণ করে বলেন,
"সেদিন আমরা যখন মিছিল শুরু করছিলাম তখন নূর হোসেন আমার পাশে দাড়িয়ে ছিল। আমি তাকে কাছে ডাকলাম এবং বললাম তার গায়ের এই লেখাগুলোর কারণে তাকে পুলিশ গুলি করবে। তখন সে তার মাথা আমার গাড়ির জানালার কাছে এনে বলল, "আপা আপনি আমাকে দোয়া করুন, আমি গণতন্ত্র রক্ষায় আমার জীবন দিতে প্রস্তুত"।"
______
রাষ্ট্রীয় সম্মান
.
নূর হোসেনের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তার নামে স্মারক ডাকটিকেট প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতি বছরের ১০ই নভেম্বর বাংলাদেশে নূর হোসেন দিবস হিসেবে পালন করা হয়। এছাড়া তিনি যে স্থানে পুলিশের গুলিতে নিহত হন, তার নামানুসারে সেই জিরো পয়েন্টের নামকরণ করা হয়েছে নূর হোসেন স্কয়ার। ১০ই নভেম্বর তার মৃত্যুর কিছু সময় পূর্বে তোলা তার গায়ে লেখাযুক্ত আন্দোলনরত অবস্থার ছবিটি বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের এক গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
.
Md. Omar Faruk
RU Law Dept.

Ads

বিসিএস গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রস্ন

          ৩৮তম বিসিএস প্রিলি প্রস্তুতি ১) 'Venus de milo' কি?? a) একটি চিত্রশিল্প b) একটি সাহিত্যকর্ম c) একটি ভাস্কর্য★★ d) এক...