Saturday, November 25, 2017

বিসিএস অনুপ্রেরণামূলক পোস্ট!!



                                                       !!!!!!অনুপ্রেরণা!!!!!!


নটরডেম কলেজের এক ভাইকে দেখেছিলাম । পড়াশুনার ধরনটা বলি । কলেজ থেকে এসে সে ঘুমাতো । এরপর রাতের ডিনার করে পড়তে বসতো । ড্রয়ারে থাকতো ৩০/ ৩৫ টা বিভিন্ন ধরনের কলম । বিভিন্ন ব্রান্ডের অগনিত পেন্সিল । দিস্তা দিস্তা খাতা টেবিলের পাশে রাখা ছিল । কলেজ লেভেলের সবগুলা বই সুন্দর করে বাধাই করে নতুন মলাট করা । প্যাকেট ভর্তি দামী ইরেজার ।
এই মানুষটা পড়ত আর লিখতো । লিখতো আর পড়তো । বিরক্ত লাগলে উঠে গোসল করে আবার পড়তে বসতো । এভাবে চলতো সারা রাত । খালি কলমগুলো পড়ে থাকতো টেবিলের পাশে । দিস্তা দিস্তা খাতা শেষ হয়ে টেবিলের নিচে জমতো ।
এরকম ভয়ঙ্কর ধরনের পড়াশুনা করেও কোন এক অজ্ঞাত কারনে সে বুয়েট ,ঢাবি , জাবি ,রাবি ,চবি থেকে শুরু করে কোথাও চান্স পায় নি । আমি আজও হিসাব মেলাতে পারি না কেন সে চান্স পায় নি । কি এমন বাকি ছিল যা সে করে নি ? আর কিভাবে পরিশ্রম করলে ভালো করা যেতো ?
এখন সে কি করে জানেন ?
সে কোন পড়াশুনাই করে না । একটা বেসরকারী ভার্সিটি থেকে নামমাত্র ডিগ্রি নিয়ে সে কোন রকমে আছে । আগের সেই তেজ নাই । নটরডেমিয়ান বলে আলাদা কোন ভাবও নাই ।
আরেকটা ছেলে ।
SSC তে এভারেজ রেজাল্ট ।
ইন্টারে এ মাইনাস ।
কোন রকমে ওয়েটিং থেকে ঢাবিতে চান্স পেয়েছে । এরপরেরটা ইতিহাস । ডিপার্টমেন্টে রেকর্ড রেজাল্ট । অনার্সে ফাস্ট । মাস্টার্সে ফাস্ট । বাইরের কোন নামী দামী ক্যাম্পাসে ডক্টরেট করা এখন তার জন্য কোন ইস্যু না ।
চবিতে এপ্লাইড ফিজিক্সে এক ভাই ছিল ।
কোন রকমে এসএসসি আর ইন্টারের বাধা পেরিয়ে এখানে এসে এপ্লাইডে ভর্তি হয়েছে । বাকিটা ইতিহাস । ডিপার্টমেন্টে রেজাল্ট 3.89 !!!
( নামটা ভুলে গেছি । কেউ চিনলে আমাকে বলে দিয়েন )
আবার এরকমও আছে ।
ক্যাম্পাসে সুপার রেজাল্ট । চাকুরীর পরীক্ষায় কোন সফলতা নাই । তিন বছর ধরে বেকার । লোকে এখন সন্দেহ করে ভার্সিটির রেজাল্ট কি আসলেই ঠিক ?
দুর্দান্ত মেধা নিয়ে মেডিকেলে চান্স পেয়েছে । অথচ মেডিকেলে এখন ফাস্ট ইয়ারই পাস করতে পারে না । অন্যজন কোটা নিয়ে ভর্তি হয়েছিল মেডিকেলে । এক চান্সেই MBBS পাশ করে ফেলেছে ।
এর নাম জীবন ।
একবার গ্রাফটা থাকে উপরে । আবার কখনো থাকে তলানীতে । একেবারে তলানী থেকে উঠে আসতে পারে খুব কম মানুষই । কিন্তু যারা উঠে আসে তারা হচ্ছে একেকটা ডায়মন্ড । একেবারে সবার উপরের জায়গাটাই দখল করে । জীবন আপনাকে তলানিতে এই জন্যই ফেলে দেয় যেন আপনি উঠে এসে সেরা জায়গাটা ধরতে পারেন ।
ধৈর্য রাখুন । সময় কখনো প্রতারনা করে না ।
স্রোতের বিপরীতে দাঁড়িয়ে থাকতে পারাটাই সব থেকে বড় চ্যালেঞ্জ । সবাই এটা পারে না

Musfiqur Rahman Kishor

Friday, November 24, 2017

Ethics, Values and Good Govern


          ৩৮তম বিসিএস প্রিলি প্রস্তুতি

       Ethics, Values and Good Govern.


১. "আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান" উক্তিটির প্রবক্তা = এ ভি ডাইসি।

২.  তথ্য অধিকার আইনের (২০০৯) কোন ধারায় প্রত্যেক       নাগরিকের তথ্য লাভের অধিকার আছে = ৪র্থ ধারায়।

৩. জন অস্টিনের মতে আইনের উৎস = ১ টি।
   কিন্তু, অধ্যাপক হল্যান্ডের মতে আইনের উৎস = ৬ টি।

৪. মতামত প্রকাশের অধিকার কোন ধরনের অধিকার = সামাজিক অধিকার।

৫. নাগরিকের দেশপ্রেম জাগ্রত হয় কীসের মাধ্যমে= অধিকার ও কর্তব্য পালনের মাধ্যমে।

৬. নীতি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন কারা = মন্ত্রীরা।
        কিন্তু বাস্তবায়ন করেন আমলারা।

৭. সুনাগরিক কাকে বলে?
উ: অধিকার কর্তব্য সচেতন নাগরিককে সুনাগরিক বলে।

৮. Liberty ল্যাটিন শব্দ, এর অর্থ স্বাধীনতা।

৯. বিদেশে নিরাপত্তা লাভের অধিকার কোন ধরনের অধিকার=                রাজনৈতিক অধিকার।

১০. জাতি কাকে বলে?
       উঃ জাতীয়তার চেতনা দ্বারা উদ্বুদ্ধ জনসমাজ স্বাধীন হতে               চাইলে বা স্বাধীন হলে তাকে 'জাতি' বলে।

১১. Bureaucracy শব্দটি ফরাসি Bureau থেকে এসেছে, এর অর্থ= আমলাতন্ত্র।

১২. জাতীয়তার ধারণা মূলত কোন ধরনের =ভাবগত।

১৩. আমলাতন্ত্র প্রবক্তা ম্যাক্সওয়েবার কয়টি বৈশিষ্টের কথা উল্লেখ          করেছেন = ৮ টি।

১৪. কোনটি আধুনিক প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রের প্রাণ= জনমত।

১৪. "যেখানে আইন নেই, সেখানে স্বাধীনতা থাকতে পারে না" কে            বলেছেন = জন লক

১৫. আধুনিক গণতন্ত্রের জনক = জন লক।


Nuruzzaman,
Law Department,
University of Dhaka.

Wednesday, November 22, 2017

কখনওই বলবেন কিংবা ভাববেন না যে আপনার বিসিএস হবে না।





যাঁরা বিসিএস পরীক্ষা দিচ্ছেন
..................................................
কখনওই বলবেন না কিংবা ভাববেন না যে আপনার বিসিএস হবে না।
কেনো?
দুইটা কারণে।
এক। সৃষ্টিকর্তা মহান। তিনি আপনার প্রার্থনা কবুল করে ফেলতে পারেন। অনেক ব্যস্ত থাকেন তো! কতো মানুষ তাঁকে কতোকিছু নিয়ে রিকোয়েস্ট করে, পেইন দেয়!
দুই। সবসময় মনে রাখবেন, লাইক অ্যাটট্র্যাক্টস লাইক। এটাকে বলে, দ্য ল অব অ্যাটট্রাকশন। (আগ্রহীরা রোন্ডা বায়ার্নের দ্য সিক্রেট পড়ে দেখুন, খুব উপকার হবে।) দেখেন না, যারা ফেসবুকে লাইক বেশি পায়, তারা পেতেই থাকে। যারা কমেন্ট বেশি পায়, তারা পেতেই থাকে। আপনি ভালকিছু লিখলে কেউ পাত্তাই দেয় না, অথচ ওরা একটা ডট দিলেও শতশত লাইক পড়ে। কোনও সুন্দরীর পেয়ারি বিলাতি কুত্তাটার কোনও কারণে টয়লেট বন্ধ হয়ে গেলে সেটা কতো শত ছেলের হাহাকারের উৎস হয়ে দাঁড়ায়, কখনও দেখেন নাই? সুন্দরীর সারমেয়র, আই মিন, কুত্তার ব্যথায় ব্যথিত হয় না, এমন বুকের পাটা কার? অনেক বড়োবড়ো মানুষকে বিশেষ-বিশেষ ‘অনুপ্রেরণায়’ নির্লজ্জ হতে দেখেছি। আপনার চিন্তা আর কাজের মিথস্ক্রিয়াও ওরকম। একটা উদাহরণ দেই। ধরুন, রাস্তায় হঠাৎ আপনার ছোটো বাথরুম পেল। আশেপাশে কোনও টয়লেট নাই। চেপে রাখলে প্যান্ট ভিজেটিজে কেলেঙ্কারি হয়ে যেতে পারে। সমাসন্ন প্লাবনের হাত থেকে রক্ষা পেতে আপনি কেউ না দেখে মতো করে রাস্তার এক কোণায় গিয়ে ব্লাডারের প্রেশার কমাচ্ছেন, মনেমনে আপনার জানাঅজানা সকল দোয়াদরুদ সমানে পড়ে যাচ্ছেন যাতে পরিচিত কারওর সাথে দেখা না হয় আর এদিকওদিক তাকিয়ে দেখছেন, কেউ দেখে ফেললো কিনা কেউ দেখে ফেললো কিনা! হঠাৎ দেখবেন, কোত্থেকে আপনার এক স্টুডেন্ট এসে বলবে, স্লামালিকুম স্যার। ভাল আছেন? ওর মাথায়ই আসবে না কিংবা আসলেও ইচ্ছা করেই কমনসেন্স অ্যাপ্লাই করবে না যে, কুশল বিনিময় করার সময় এটা না। একটু ভাবুন তো! ওর কী দোষ? আপনিই তো এদিকওদিক তাকিয়ে ওর মতো কাউকেই খুঁজছিলেন। অবশ্য, কিছু মানুষ এমনিতেই কোনও কারণ ছাড়াই কোত্থেকে যেন ননসেন্স তেলাপোকার মত উড়ে এসে খাবারের পাতে পড়ে। এয়ারপোর্টের ইউরিনালে হিসু করছি, অমনিই পাশের সহ-মূত্রবিসর্জনকারী হাসিমুখে বলে বসবে, “স্লামালিকুম সুশান্ত ভাই। কেমন আছেন? আমি আপনার ফ্যান............” কীভাবে বোঝাই সামাজিকীকরণের জায়গা এটা নয়, এখন আমি পৃথিবীর সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যস্ত! দুএকজনকে পেয়েছি যারা ওই অবস্থাতেই হ্যান্ডশেক করার জন্য হাত বাড়িয়েছেন। কতটা অস্বস্তি আর ঘেন্না নিয়ে হাত মিলিয়েছি, তা ভাবতেও গা গুলিয়ে আসে!
বাথরুম (সেটা ছোটোই হোক কিংবা বড়োই হোক) করার সময় আর কোনও মিশনে থাকার সময় একমনে কাজ করতে হয়। আপনি চাচ্ছেন না, এমন চিন্তা মাথায় আনলে দেখবেন, কষ্ট করে সেটাকে মাথায় এনে সেটাকে সযত্নে লালন করে আপনি নিরাশ হচ্ছেন না। আরও দশটা অন্য চিন্তা এসে আপনার কাজের মোড় 'নাটকীয়ভাবে' ঘুরিয়ে দিচ্ছে। নেগেটিভ চিন্তাভাবনার ভাইবেরাদার সবসময়ই বেশি থাকে।
It always seems impossible until it's done.
ম্যান্ডেলার এই কথাটা আমার কাছে সবসময়ই সত্য মনে হয়েছে। আমি যখন বিসিএস প্রিলি পরীক্ষা দেই, তখন মনে করতাম, প্রিলি পাস করা দুনিয়ার সবচেয়ে কঠিন কাজ। তাই, এটার প্রতি একটা শ্রদ্ধাভাব আর আন্তরিকতা কাজ করতো। তবে, এটা কখনওই মাথায় আসেনি যে প্রিলিতে টিকবো না। শুধু এটা জানতাম যে রিটেন দেয়ার জন্যে আমাকে প্রিলি পাস করতেই হবে। একটা কাজ কঠিন, এটা তো আর আমার দোষ না। আমি তো আর কাজটাকে কঠিন করি নাই। আমার দোষ হলো, আমি কাজটা করতে চাচ্ছি কেনো? দুনিয়ায় করার জন্যে তো আর ভাল কাজের অভাব পড়ে নাই। ওই কাজটি করতে চাচ্ছিই যখন, এটা ঠিকভাবে করার বুদ্ধি বের করতে হবে। বুদ্ধি বের করতে না পারলে বরং সেটাই আমার দোষ।
কোনও বিসিএস ক্যাডারই বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবেন না, প্রস্তুতিপর্বে উনার কাছে বিসিএস ক্যাডার হওয়াটা ডালভাতের মতো মনে হয়েছিল। তবে, এটা নিশ্চিত, উনারা বেশিরভাগই এটা ভাবতেন না যে উনাকে দিয়ে হবে না। যারা ক্যাডার হন, তাদের সাথে যারা ক্যাডার হতে পারেন না, তাদের পার্থক্য ২ জায়গায়। এক। তারা যা জানেন, তা কাজে লাগাতে পেরেছেন। দুই। তাদের 'লাক ফেভার' করেছে। এদের মধ্যে দ্বিতীয়টি আপনার হাতে নেই। ওটা সৃষ্টিকর্তার ওপর ছেড়ে দিতে হবে। শুধু যোগ্যতা দিয়ে সবকিছু হয় না। শেষ হাসিটা হাসার জন্যে বিনয়ের সাথে মুখ বন্ধ রেখে সিরিয়াসলি নয়, বরং সিনসিয়ারলি সৃষ্টিকর্তার অনুগ্রহের জন্যে ধৈর্য্যের সাথে অপেক্ষা করতে হবে। The game is always ON! একটু সততার সাথে ভেবে দেখুন, আপনার অতীতের অনেক সাফল্যই যতোটা না আপনার যোগ্যতা তার চেয়ে অনেকবেশি আপনার সৌভাগ্য। অন্তত আমার ক্ষেত্রে তা-ই হয়েছে। অতীতের অসম্মানগুলো নিয়ে অতো ভাববেন না। এমনকি, যদি সেটা আপনার প্রাপ্য নাও হয়। একটু ভেবে দেখুন, আপনি আপনার লাইফে এই পর্যন্ত অনেক ফাওফাও সম্মান পেয়েছেন, যেগুলো আদৌ আপনার প্রাপ্য নয়। কই, কাউকে তো এ পর্যন্ত এ বলে আক্ষেপ করতে শুনলাম না, এ মণিহার আমায় নাহি সাজে---/ এরে পরতে গেলে লাগে, এরে ছিঁড়তে গেলে বাজে॥ সৃষ্টিকর্তা সবসময় এক ধরনের রহস্যময় ব্যাল্যান্সে কাজ করেন।
গুড লাক!
কিছু কথা বলি। কথাগুলি আমার নিজের কথা। আমি যা করেছি, তা-ই লিখেছি। আমার কোন কথাকেই সেট রুল হিসেবে নেবেন না। আপনি আমার মতন না, আপনি আপনার মতন। পৃথিবীতে কেউ হুবহু অন্য কারওর মত কাজ করে একই কাজটি করতে পারে না। আপনি প্রিলিতে পাস করবেন আপনার নিজের নিয়মে।
আমাকে প্রায়ই একটা প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়: ভাইয়া, আপনি বিসিএস প্রিলির জন্য কোন-কোন গাইড পড়েছেন?
প্রশ্নটি আমি খুব কৌশলে এড়িয়ে যাই।
কেন?
আমি সত্যি কথা বললে কেউকেউ ভাববে, ভাব দেখাচ্ছি, কেউকেউ ভাববে, ফার্স্ট হয়েছি বলে বাড়িয়ে বলছি, কেউকেউ ভাববে, পাণ্ডিত্য দেখাচ্ছি।
যে যে গাইডের ফুল সেট প্রিলির আগে সলভ করেছি সেগুলির নাম নিচে দিয়ে দিচ্ছি:
MP3
অ্যাসিউরেন্স
ওরাকল
মিলারস
প্রফেসরস
সাইফুরস
পাঞ্জেরি
জেনুইন
এগুলিই কেন? কারণ, এর বাইরে আর কোনও গাইড পাওয়া যেত না, কিংবা চট্টগ্রামের কোনও বইয়ের দোকানে পাইনি।
এছাড়াও :
৩টা ডাইজেস্ট
২টা প্রশ্নব্যাংক
৪টা মডেল টেস্টের গাইড
উপরের বইগুলি ছাড়াও বিভিন্ন বিষয়ে বিভিন্ন বই সলভ করেছি। যেমন, ইংরেজির জন্য ইংলিশ ফর দ্য কম্পিটিটিভ একজামস এবং আরেকটা বই (নামটা খুব সম্ভবত Light) সলভ করেছি।
যারা ভাবছেন, অতো পড়াশোনা করা সম্ভব নয়, তাদেরকে বলছি, এটা সম্ভব যদি আপনার খেয়েদেয়ে করার মতন অন্য কোনও কাজ না থাকে। আমার ছিল না, তাই আমি পেরেছি।
কেউ দয়া করে ভালোবাসেনি, তাই প্রেম ছিল না। মানুষের ছেলেমেয়েকে মানুষ করার দায়িত্ব থেকে ইস্তফা দিয়েছিলাম, তাই টিউশনিও ছিল না। অবিশ্বাস্য পরিমাণের টাকা লস দিয়ে সব রকমের ব্যবসা থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছিলাম, অন্যকোনও কাজটাজও ছিল না। তাই প্রচুর পড়াশোনা করার সুযোগ পেয়েছিলাম। মধ্যবিত্ত পরিবারের বেকার সন্তান পড়াশোনা করবে না তো কী করবে? ওই সময়ে পড়াশোনা করা ছাড়া পৃথিবীর যাবতীয় কাজকেই বিলাসিতা মনে হত। কোথাও যেতাম না, কারও সাথে অতো কথা বলতাম না। একেবারেই বইকেন্দ্রিক রোবটিক জীবনযাপন করেছি। ফোন ইউজ করতাম খুবই সীমিত পরিসরে, ফেসবুককেও বিদায় জানিয়েছিলাম সে কয়েকমাস! আমার মতন ফেসবুক-ফ্রিকের জন্য এ যে কত বড় আত্মত্যাগ, তা লিখে বোঝানো যাবে না! হাহাহাহা..................
তাছাড়া বিসিএস নিয়ে কথা বলার মতন তেমন কারওর দেখা কখনওই পাইনি বিধায় (বিসিএস পরীক্ষার আগে মাত্র ৩ জন বিসিএস ক্যাডারের সাথে কথা বলার সাহস করেছিলাম। এদের মধ্যে একজন কথাবার্তায় একটু ‘ভাব’ দেখিয়েছিলেন বলে উনার সাথে আর কোনদিনও কোন কথা বলিনি। আমি অতো ভাবটাব সহ্য করতে পারি না। পরে বুঝেছি, চাকরি পেতে পড়াশোনা করতে হয়, বিসিএস ক্যাডারদের সাথে আজাইরা আলাপ করতে হয় না। যারা চাকরি পান, তারা মঙ্গল গ্রহের কেউ নন, এ গ্রহেরই খুবই সাধারণ প্রাণী।), বিসিএস পরীক্ষাকে খুব কঠিন মনে হত, আর মনে হত, যদি আমি খুব ভালভাবে পড়াশোনা করি, তাহলে হয়তো আমার সেকেন্ড চয়েজ বিসিএস পুলিশে মেরিটলিস্টের লাস্টের দিকে কোনওরকমে একটা চাকরি পাবো। ভূতের মতন পড়াশোনা করতাম। একেবারেই সাধারণ মানের ক্যান্ডিডেট ছিলাম বলে আমাকে অনেক পরিশ্রম করে চাকরিটা পেতে হয়েছে। তবে চাকরি পাব না, এটা কখনওই মাথায় আসত না। মনে হত, নিশ্চয়ই পাব, তবে সেটার জন্য অনেক পরিশ্রম করতে হবে। এবং আমি সেটা করেছিলাম---অমান
ুষিক পরিশ্রম করে চাকরি পেয়েছি। পূর্ণ সততা নিয়ে বলতে পারি, আমি সে সময়ে কখনওই নিজেকে ফাঁকি দিইনি।
রেজাল্ট বের হওয়ার পরে বুঝেছি, অতো পড়াশোনা না করলেও চলত। আমি তো আর ফার্স্ট হতে চাইনি, আমি শুধু একটা চাকরি চেয়েছি। ফার্স্ট হওয়াটা আমার জন্য যোগ্যতার তুলনায় অধিক প্রাপ্তি। বিসিএস নিয়ে কম বুঝতাম, তাই বোকার মতন বেশি পড়তাম। মাঝেমাঝে ভাবি, Ignorance is bliss! বিসিএস পরীক্ষার বেলায়, যে যত পণ্ডিত, সে তত গর্দভ। এ পরীক্ষায় বেশি বুঝলেই বিপদ! বোকাসোকা হয়ে পড়াশোনা করেটরে চাকরিটা পেয়ে গেলেই তো হল!
ইংরেজিটা সেই ছোটবেলা থেকেই পড়তাম ভালবেসে। যে কাজটা আপনি ভাললাগা থেকে করবেন, সেটাতে কিছুতেই ক্লান্তি আসবে না, এমনকি আপনি যদি দিনে ১৮ ঘণ্টাও সে কাজটা করেন, তবুও। একটা সময়ে ইংরেজি নিয়ে এতটাই কনফিডেন্ট ছিলাম যে, আমি পৃথিবীর সব মানুষকেই ক্ষমা করে দিতে পারতাম, কিন্তু আমার চাইতে ভাল ইংরেজি জানে এরকম কারওর সাথে দেখা হয়ে গেলে, নিজেকে কিছুতেই ক্ষমা করতে পারতাম না। নিজের উপর সর্বোচ্চ যতটুকু প্রেশার দেয়া যায়, ততটুকু প্রেশার দিলেও অন্তত ইংরেজি পড়ার ক্ষেত্রে কখনওই ক্লান্তি এসেছে বলে মনে পড়ে না। হাজারহাজার ইংরেজির প্রশ্ন সলভ করেছি যেগুলি বিভিন্ন চাকরি কিংবা ভার্সিটির নানান ভর্তি পরীক্ষায় এসেছে। প্রত্যেকটা প্রশ্নের উত্তর ইন্টারনেটের বিভিন্ন গ্রামার ফোরাম, ডিকশনারি, ইউসেজের বই, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানের গ্রামার বই (আমার কালেকশনে ল্যাংগুয়েজের বই অন্তত তিনশ’) দেখে শিওর হয়ে সলভ করেছি। পড়াশোনার ব্যাপারে অতিমাত্রায় খুঁতখুঁতে স্বভাবের ছিলাম বলে গাইডের উত্তরকে কখনওই বিশ্বাস করতাম না। কারণ, প্রচুর গাইড পড়তে গিয়ে যা বুঝেছি, তা হল গাইডলেখকদের জানার দৌড় খুব বেশি নয়। আমার কাছে একটা প্রশ্ন মানে ছিল চারটা প্রশ্ন। যেটা উত্তর, সেটা ছাড়াও বাকি তিনটা অপশন নিয়েও বিশদভাবে পড়াশোনা করে ফেলতাম।
ইংরেজি পড়ার সময়ে বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এসেছে, এমন কিছু প্রশ্নকে দুইটা নোটবুকে লিখে রেখেছিলাম। কোন ধরনের প্রশ্ন লিখে রেখেছিলাম? সে ধরনের, যেগুলি আমার কাছে মনে হয়েছে, রিভিশন দেয়ার সময় পড়া উচিত। এ কাজটা করতে গিয়ে যে পরিশ্রমটা করতে হয়েছিল, সেটা নিতান্তই বদ্ধ উন্মাদ টাইপের পরীক্ষার্থী না হলে কেউ করে না। মাঝেমধ্যে মনে হতো, চেয়ারে বসে থাকতে-থাকতে আমার শরীর অবশ হয়ে আসছে। তবু পড়া শেষ না করে চেয়ার ছেড়ে উঠতাম না। শরীরকে কষ্ট না দিয়ে মনকে বিকশিত করা সম্ভব নয়।
একটা নোটবুক সেদিন বাসায় হঠাৎ খুঁজে পেলাম। আমার কর্মস্থল সাতক্ষীরায় আসার সময় সাথে করে সেটি নিয়ে এসেছি। আজকে অফিস থেকে বাসায় ফিরে নোটবুকের পাতা উল্টে উল্টে প্রায় ১ ঘণ্টা দাঁড়িয়ে-দাঁড়িয়ে মাথা, ঘাড়, পিঠ, কোমর ব্যথা করে আমার স্যামসাং মোবাইলের ক্যামেরায় ছবি তুলে আপনাদের জন্য আপলোড করে দিলাম। যদি কারওর কাজে আসে, আমার ভাল লাগবে।
ভাল কথা, কেউ যদি এই নোটবুকের পৃষ্ঠার ছবিগুলি দেখেদেখে প্রশ্নগুলি টাইপ করে আমাকে একটা ওয়ার্ড ফাইলে পাঠান, তাহলে আমি সেটিকে আপনার নাম উল্লেখ করে প্রতি যথাযথ কৃতজ্ঞতাসহ নোট আকারে সেভ করে রাখব। ভবিষ্যতে সে নোটটি অনেকেরই কাজে আসবে।
কাজটি ধৈর্য ধরে একবার করে ফেলতে পারলে এ প্রশ্নগুলি কখনওই ভুলে যাওয়ার কথা নয়। জানি, অনেকেই হয়তো নিজের জন্যই কাজটি করবেন। করলে, দয়া করে আমাকে এক কপি পাঠাবেন।
ইংরেজির অন্য নোটবুকটি খুঁজে পেলে আমি সেটিও আপলোড করে দেবো। (কাজটি এ লেখা পোস্ট করার পরবর্তী সময়ে আমার স্টুডেন্ট ধ্রুব করে দিয়েছে। আমার নোটসে BCS English নামের সিরিজে আমি তা রেখে দিয়েছি।)
হ্যাপি রিডিং!!
(পড়ুন, সবার সাথে শেয়ার করুন।)
Sushanta Paul

Tuesday, November 21, 2017

সাম্প্রতিক ক্রীড়াজগৎ





          ৩৮তম বিসিএস প্রিলি প্রস্তুতি:
                      -------------------------
                      -------------------------
            #ক্রীড়াজগৎ #সাম্প্রতিক
                                       -------------------------

* ১২তম বিশ্বকাপ ক্রিকেট অনুষ্ঠিত হবে ?
-- ৩০মে - ১৫ জুলাই, ২০১৯ সালে।
-- ইংল্যান্ড এবং ওয়েলসে।
* ১২তম বিশ্বকাপ ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করবে
-- মোট ১০টি দেশ।
* ২০১৭ সালের ইউএস ওপেনে পুরুষ ও নারী এককে চ্যাম্পিয়ন ?
-- পুরুষ - রাফায়েল নাদাল (স্পেন)
নারী - স্লোয়ানে স্টিফেন্স (যুক্তরাষ্ট্র)
* দুর্নীতি দমন কমিশনের শুভেচ্ছাদূত --
সাকিব আল হাসান ।
* সব টেস্ট দলের বিপক্ষে ইনিংসে ৫ উইকেট নেওয়া সাকিব আল হাসান বিশ্বে কততম বোলার ?
-- চতুর্থ । অন্য তিনজন -- মুত্তিয়া মুরালিধরন , ডেল স্টেইন এবং রঙ্গনা হেরাথ ।
* ৩২তম গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমসের আয়োজক শহর -- টোকিও, জাপান ।
অনুষ্ঠিত হবে: ২৪ জুলাই -- ০৯ আগস্ট ,২০২০ সালে।
* ৩৩ তম অলিম্পিক গেমসের আয়োজক শহর --
প্যারিস , ফ্রান্স ।
অনুষ্ঠিত হবে: ০২- ১৮ আগস্ট ,২০২৪ সালে ।
* ৩৪তম গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমসের আয়োজক শহর -- লস অ্যাঞ্জেলেস , যুক্তরাষ্ট্র ।
অনুষ্ঠিত হবে: ২০২৮ সালে ।
* বর্তমানে ক্রিকেটে ব্যাটসম্যান কতটি উপায়ে আউট হতে পারে?
-- ০৯ টি।
* ২০১৭ সালের ১১তম আইসিসি মহিলা ক্রিকেট বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন দেশ
-- ইংল্যান্ড।
* বর্তমানে আইসিসির পূর্ণ সদস্য বা টেস্ট মর্যাদা পাওয়া দেশ -- ১২ টি ।
• সর্বশেষ সদস্য পাওয়া ২ টি দেশ ----
আফগানিস্তান এবং আয়ারল্যান্ড।
* ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বাইরে আইসিসি'র পূর্ণাঙ্গ সদস্য পাওয়া প্রথম দেশ -- আফগানিস্তান।
* আইসিসি চ্যাম্পিয়ন ট্রফি ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়ন দেশ -- পাকিস্তান।
• ম্যান অব দ্য সিরিজ -- হাসান আলী (পাকিস্তান)।
* ফোর্বস সাময়িকীর তথ্য মতে বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ ধনী ফুটবল ক্লাব --
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড (ইংল্যান্ড)।
* ২০১৬-১৭ মৌসুমের চ্যাম্পিয়ন্স লীগের চ্যাম্পিয়ন
-- রিয়াল মাদ্রিদ।
* ২০১৭ সালের কনফেডারেশন্স কাপে চ্যাম্পিয়ন
-- জার্মানি ।
* ২০১৭ সালের উইম্বলডনে পুরুষ - নারী এককে
চ্যাম্পিয়ন --
• পুরুষ -- রজার ফেদেরার (সুইজারল্যান্ড)
• নারী -- গারবিনে মুগুরুজা (স্পেন)।
* বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স'২০১৭ চ্যাম্পিয়নশিপে দ্রুততম মানব
-- জাস্টিন গ্যাটলিন (যুক্তরাষ্ট্র)।
* ১৭তম বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপ অনুষ্ঠিত হবে -- ২০১৯ সালে , দোহা , কাতার।

/// Ovro Chowdhury
------------------------------------

Monday, November 20, 2017

৩৮ তম বিসিএস: বাংলাদেশ বিষয়াবলী

বাংলাদেশ বিষয়াবলী

১।শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্বের নিপীড়িত মানুষের বন্ধু" - উক্তিটি কার??
= ইন্ধিরা গান্ধী
২।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটানা কতবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ভাষণ দিয়েছেন?
=১৪
৩। মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব " প্রবন্ধের রচয়িতা -
=শিরীন আখতার।
৪।বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা চালু হয় কবে ?
= ১৯৭৩-৭৮ সাল পর্যন্ত।
৪।ক্রাক প্লাটুন কী?
=পাকিস্তান হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসরের বিরুদ্ধে 17 জন যুবক কর্তৃক ঢাকায় গেরিলা আক্রমণ
৫।এম. ভি. সোয়াত কত তারিখে চট্টগ্রাম বন্দরে অস্ত্র খালাস শুরু করে ?
=২৪ মার্চ , ১৯৭১
৬।খেতাবধারী নারী মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন সেতারা বেগম কত নং সেক্টরে মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতা করেছেন ?
= ২নং । তারমন বিবি ১১ নং সেক্টরে ।
৭।অস্থায়ী সরকার বা মুজিবনগর সরকারের সদস্য ছিল কতজন ছিল ?
= ৬ জন।
৮।কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ এর দৈর্ঘ্য কয় কিলোমিটার ?
= ৮০ কি.মি
৯।বাংলাদেশের নামে মামলা করার বিধান আছে সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে?
=১৪৬ নং ।
১০। বাংলাদেশে স্পিকার হবার ন্যূনতম বয়স কত ?
=২৫ বছর।
১১।১৫ আগস্ট ,১৯৭১ অপারেশন জ্যাকপট কোথায় পরিচালিত হয়।?
=চট্টগ্রাম,চাঁদপুর,মংলা ও নারায়ণগঞ্জে
১৩।পদ্মা সেতুর কাজ আনুষ্ঠানিক উদ্ভোধন করা হয় কবে ?
=১২ ডিসেম্বর ২০১৫
১৪।রোপা আমন ধান কাটা হয় কোন মাসে ?
= কার্তিক - অগ্রহায়ণ
১৫।দশম জাতীয় সংসদে নির্বাচিত মহিলা সদস্য কতজন?
=২১
১৬।জাতীয় সংসদের প্রথম স্পিকার কে ?
= মোহাম্মদ উল্লাহ।
১৭।বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় বাজার কোনটি?
= EU
১৮।বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যের কত শতাংশ চট্রগ্রাম বন্দর দিয়ে হয়?
=৯২%
১৯।বাংলাদেশের একমাত্র ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার কোথায় অবস্থিত ?
= চট্টগ্রাম
২০।বাংলাদেশে বর্তমানে তফশিলি ব্যাংক রয়েছে কতটি ?
=৫৭ টি ( সর্বশেষ সীমান্ত ব্যাংক)।
২১।বাংলাদেশে মোট মন্ত্রণালয় কতটি ?
=৪৩ টি(সর্বশেষ : ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।)
২২। "আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি" গানটির প্রথম সুরকার কে?
= আব্দুল লতিফ
২৩।রেমিট্যান্স অর্জনে বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বে কততম ?
=৮ম ।
২৪।মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে কবে স্বীকৃতি দেয়?
= ৪ এপ্রিল , ১৯৭২
২৫।দারিদ্র্যের হার কম কোন জেলায়?
= নারায়ণগঞ্জ
২৬।GDP এর দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্হান কত?
=৪৪
২৭।বাংলাদেশে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী সরকারি সংস্থার নাম কী?
= BTCL
২৮। যুক্তফ্রন্ট সরকারে বঙ্গবন্ধু কোন মন্ত্রাণালয়ের মন্ত্রী ছিলেন ?
= কৃষি , সমবায়, ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রাণালয়ের
২৯।কর্ণফুলী টানেলের দৈর্ঘ কত ?
= ৩.৪ কি.মি
৩০।বড় সোনা মসজিদ কোথায় অবস্থিত ?
= বাগেরহাট
//
Zakir's bcs special

৩৮তম বিসিএস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তির গুরুত্বপূর্ণ ৫০টি প্রশ্ন



কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তির গুরুত্বপূর্ণ ৫০টি প্রশ্ন-


১. গিবারিশ কী?

→ কম্পিউটারে দেওয়া অপ্রয়োজনীয় তথ্যকে গিবারিশ বলে।
২. বিশ্বের প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর ভিত্তিক কম্পিউটার বা মাইক্রো কম্পিউটার কোনটি?
→ Altair-৮৮০০. এইচ. এডওয়ার্ড রবার্টসকে বলা হয় মাইক্রো কম্পিউটারের জনক।
৩. মাইক্রোফিশ কী?
→ মাইক্রোফিশ (Microfiche) হলো ৬ ইঞ্চি X ৪ ইঞ্চি আকারের কার্ড আকৃতির ফিল্ম। একটি মাইক্রোফিশে ২০০ পৃষ্ঠার মতো তথ্যের ফটো রাখা যায়। মাইক্রোফিশকে সহজেই ডাকযোগে এক জায়গা থেকে অন্যত্র পাঠানো যায়।
৪. ডিজিটাল ঘড়ি বা ক্যালকুলেটরে কালচে অনুজ্জ্বল যে লেখা ফুটে উঠে তা কীসের ভিত্তিতে তৈরি?
→ সিলিকন চিপ।
৫. বর্তমানে বাংলাদেশে কোনটিতে MICR (Magnetic Ink Character Reader) Technology ব্যবহৃত হয়?
→ ব্যাংকের চেক বই। উন্নত ব্যাংকিং ব্যবস্থায় গ্রাহকদের হিসাব নম্বর, মজুদ টাকার পরিমাণ, সুদের হিসাব ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণে কম্পিউটারের সাথে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
৬. HWR কী?
→ Hand Writing Reader. মানুষের হাতের লেখা সনাক্ত করার জন্য কম্পিউটারের সাথে এই যন্ত্রটি ব্যবহৃত হয়।
৭. SAM কী?
→ RAM-এর বিপরীত মেমোরি হলো SAM (Serial Access Memory)।
৮. কত সালে খেলাধুলাকে কম্পিউটারের একটি অংশ হিসেবে এনসাইক্লোপিডিয়াতে সংযুক্ত করা হয়?
→ ২০০৪ সালে।
৯. ADA প্রোগ্রামিং ভাষাটি কে উদ্ভাবন করেন?
→ ADA একটি হাই লেভেল কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। Jean Ichbiah এবং তাঁর দল ১৯৮০ সালে এই প্রোগ্রামিং ভাষাটি উদ্ভাবন করেন।
১০. পৃথিবীর প্রথম Operating System কোনটি?
→ UNIX
১১. বাংলাদেশের প্রথম বাংলা ফন্ট কোনটি?
→ বিজয়। মোস্তফা জব্বার ১৯৮৮ সালে এই ফন্ট উদ্ভাবন করেন।
১২. বাংলাদেশের তৈরি প্রথম ল্যাপটপ 'দোয়েল' কত সালে বাজারে আসে?
→ ২০১১ সালে।
১৩. AIDS, Bye Bye, Bad Boy, CIH, Wanna Cry এগুলো কী?
→ কম্পিউটার ভাইরাস।
১৪. Wanna Cry ভাইরাসের আগমন ঘটে কত তারিখে?
→ ১২ মে, ২০১৭ সালে। হ্যাকাররা এই ভাইরাসের মাধ্যমে কম্পিউটারের গুরুত্বপূর্ণ ডেটা ফাইলকে encrypt করে সেগুলোকে decrypt বা উদ্ধারের বিনিময়ে আক্রান্ত কম্পিউটারের ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ৩০০ থেকে ৬০০ ডলার পর্যন্ত মুক্তিপণ আদায় করতো। Bitcoin payment system-এর মাধ্যমে উক্ত অর্থ পরিশোধ করতে বলা হতো। সারা বিশ্বে ১৫০টিরও বেশি দেশের ৩ লক্ষেরও বেশি কম্পিউটার এই ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয়েছিলো। মূলত Microsoft Windows operating system ভিত্তিক কম্পিউটারগুলোই ছিলো এই ভাইরাসের মূল টার্গেট।
১৫. Dr. Solomon's Toolkit কী?
→ একটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার।
১৬. কোন ভাইরাসকে Mother of All Virus বলা হয়?
→ CIH ভাইরাসকে।
১৭. কম্পিউটার ভাইরাস নামকরণ করেন কে?
→ প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন।
১৮. Computer virus-এর আগমন ঘটে কবে?
→ ১৯৫০ সালে।
১৯. কে প্রথম আধুনিক বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি '0 এবং 1' সম্পর্কে ধারণা দেন?
→ সতেরো শতাব্দীতে গটফ্রেইড লিবনিজ তাঁর একটি আর্টিকেলে আধুনিক বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত বিবরণ দেন।
২০. কে সর্বপ্রথম ন্যানো টেকনোলজি সম্পর্কে ধারণা দেন?
→ আমেরিকান পদার্থবিদ রিচার্ড ফেম্যান ১৯৫৯ সালে সর্বপ্রথম ন্যানো টেকনোলজি সম্পর্কে ধারণা দেন।
২১. Back End কী?
→ যেখানে তথ্য বা ডেটা জমা থাকে তাকে Back End বলে। সংরক্ষিত ডেটাবেজকে Back End বলা হয়।
২২. বাংলাদেশে 3G (Third Generation) চালু হয় কত তারিখে?
→ ১৪ অক্টোবর, ২০১২
২৩. 4G (Fourth Generation) ব্যবহারকারী দেশগুলোর মধ্যে পৃথিবীর কোন তিনটি দেশ সবচেয়ে দ্রুতগতির মোবাইল ইন্টারনেট সুবিধা ব্যবহার করে?
→ সাধারণত 4G-তে ডেটা প্রেরণের হার 100-300 megabits per second পর্যন্ত হতে পারে। কিন্তু সারা পৃথিবীতে 4G-এর average global speed হলো 17.4 megabits per second. ডেটা এনালাইসিস ফার্ম Open Signal-এর ২০১৭ সালের রিপোর্ট অনুসারে পৃথিবীতে সবচেয়ে দ্রুতগতির মোবাইল ইন্টারনেট সুবিধা ব্যবহারকারী ৩টি দেশ হলো:
১. দক্ষিণ কোরিয়া (গতি 37.5 mbps);
২. নরওয়ে (গতি 34.8 mbps);
৩. হাঙ্গেরি (গতি 31 mbps)।
২৪. মোবাইল টেলিফোনের ৪র্থ প্রজন্মের উদাহরণ কোনগুলো?
→ WiMax 2, LTE (Long Term Evolution) Advanced ইত্যাদি।
২৫. 5G (Fifth Generation) ইন্টারনেট সেবা চালু করতে যাচ্ছে কোন দেশ?
→ দক্ষিণ কোরিয়া।

বাকি ২৫টির জন্য এখানে ক্লিক করুন।
ক্লিক

Prepared by:
Remon Saha (অভিমানী ছেলেটি)
M.B.A. (Department of Accounting)
University of Chittagong.
(To be continued...)




কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তির গুরুত্বপূর্ণ ৫০টি প্রশ্ন





প্রথম ২৫টি প্রশ্নের জন্য এখানে ক্লিক করুন
ক্লিক

বাকি ২৫টি প্রশ্নঃ

২৬. EDGE-এর পূর্ণরূপ কী?
→ Enhanced Data Rates for GSM Evolution. GPRS-এর চাইতে উন্নত মোবাইল ফোন প্রযুক্তি হলো EDGE. এটি Enhanced GPRS (EGPRS) নামেও পরিচিত।
২৭. বিশ্বের প্রথম স্মার্টফোনের নাম কী?
→ সাইমন।
২৮. স্মার্টফোন যাত্রা শুরু করে কোন কোম্পানির মাধ্যমে?
→ I.B.M.
২৯. প্রথম স্মার্টফোন সাইমন কোন দেশের বিজ্ঞান যাদুঘরে রাখা হয়েছে?
→ যুক্তরাজ্য।
৩০. বিশ্বে প্রথম স্মার্টফোন বাজারে আসে কবে?
→ ১৬ আগস্ট, ১৯৯৪
৩১. মোবাইল ডিভাইসের প্রাণ বলা হয় কোনটিকে?
→ অ্যাপকে।
৩২. ক্ষুদ্রাকার কম্পিউটার বলা হয় কোন মোবাইল ফোনকে?
→ P.D.A. (Personal Digital Assistant) মোবাইল ফোনকে।
৩৩. আইফোনের সর্বশেষ মডেল আইফোন ৮ এবং আইফোন ৮+ বাজারে আসে কত তারিখে?
→ ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৭। উল্লেখ্য আইফোন-৭ বাজারে আসে ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সালে এবং প্রথম আইফোনের বাজারজাতকরণ শুরু হয় ২৯ জুন, ২০০৭ সালে।
৩৪. Android কে প্রতিষ্ঠা করেন?
→ অ্যান্ডি রুবিন ২০০৩ সালে। Android হলো স্মার্টফোন এবং ট্যাবলেট কম্পিউটারের জন্য লিনাক্স ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম। Open Handset Alliance এই অপারেটিং সিস্টেম উদ্ভাবন করে এবং পরবর্তীতে গুগল এই সফটওয়্যারটি কিনে নেয়। এটি একটি ওপেন সোর্স সফটওয়্যার এবং স্মার্টফোনের জগতে সবচেয়ে জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম। অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহৃত প্রথম ফোনটির নাম ছিলো HTC Dream যা T-Mobile G1 নামেও পরিচিত।
৩৫. অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম কোন সালে প্রথম ব্যবহৃত হয়?
→ অক্টোবর ২০০৮ সালে।
৩৬. কোন দেশে সর্বপ্রথম কম্পিউটার নেটওয়ার্ক শুরু হয়?
→ যুক্তরাষ্ট্রে ১৯৬৯ সালে।
৩৭. বর্তমানে ব্যবহৃত ৩টি জনপ্রিয় হটস্পট প্রযুক্তির নাম কী?
→ ১. ওয়াই-ফাই (Wi-fi);
২. ওয়াই ম্যাক্স (WiMax);
৩. ব্লুটুথ (Bluetooth)।
৩৮. কত সালে ব্লুটুথ উদ্ভাবিত হয়?
→ ১৯৯৪ সালে। টেলিকম ভেন্ডর কোম্পানি ব্লুটুথ উদ্ভাবন করে।
৩৯. পিকোনেট এবং স্কাটারনেট কাকে বলে?
→ ব্লুটুথ প্রযুক্তির মাধ্যমে যে নেটওয়ার্ক তৈরি হয় তাকে পিকোনেট বলে। আর দুইটি পাশাপাশি পিকোনেট একটি সাধারণ স্লেভ নোডের মাধ্যমে যুক্ত হলে এই দুইটি পিকোনেটকে একত্রে স্কাটারনেট বলে।
৪০. I.R.C. কী?
→ I.R.C. হলো Internet Relay Chat. বর্তমানে ইন্টারনেট চ্যাট বা I.R.C. সারা বিশ্বে ব্যবহৃত হচ্ছে। ইন্টারনেট চ্যাট বা I.R.C. হচ্ছে এমন একটি গল্পের আসর যেখানে বিভিন্ন লোক একটি নির্দিষ্ট চ্যানেলের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যবহারকারীর সাথে ব্যক্তিগতভাবে বা সকলের সাথে গল্প করতে পারেন। ১৯৮৮ সালে Jarkko Oikarinen প্রথম I.R.C. সম্পর্কে লেখেন। এটি ফিনল্যান্ডে প্রথম শুরু হয়।
৪১. হাইপারলিংক কী?
→ বিভিন্ন ধরণের তথ্যাবলির ভেতর ভার্চুয়াল সংযোগ স্থাপন করার ব্যবস্থাই হচ্ছে হাইপারলিংক।
৪২. ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা শুরু হয় কোন সাল থেকে?
→ ২০০৫ সাল থেকে। আমাজান ডট কমের ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2) প্রথম ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা দেওয়া শুরু করে।
৪৩. বর্তমানে কারা ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা দিচ্ছে?
→ Microsoft, Google, I.B.M. ইত্যাদি কোম্পানি।
৪৪. বাংলাদেশে প্রথম ইন্টারনেট চালু হয় কত সালে?
→ ১৯৯৬ সালে।
৪৫. ব্লগ কী?
→ ব্লগ হচ্ছে বিশ্বব্যাপী উন্মুক্ত ইন্টারনেটভিত্তিক একটি প্রকাশনা। এক অর্থে বলা যায় ব্লগ হলো ইন্টারনেট ম্যাগাজিন বা ই-জার্নাল।
৪৬. টেলিকনফারেন্সিং কে উদ্ভাবন করেন?
→ ১৯৭৫ সালে মরি টার্ফ টেলিকনফারেন্সিং পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন।
৪৭. ইন্সটাগ্রাম কারা উদ্ভাবন করেন?
→ কেভিন সিসট্রোম এবং মাইক ক্রিগার।
৪৮. ইন্সটাগ্রাম কোন সালে শুরু হয়?
→ ২০১০ সালের অক্টোবর মাসে।
৪৯. ইন্টারনেটের এসএমএস বলা হয় কোনটিকে?
→ টুইটারকে। টুইটার ২০০৬ সালে শুরু হয়। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা ১৪০ ক্যারেক্টারের ভেতর message পাঠাতে এবং পড়তে পারেন। এই সামাজিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় একমাত্র যারা রেজিস্টার্ড তারাই কেবল message পড়তে ও পোস্ট করতে পারেন এবং যারা রেজিস্টার্ড নন তারা কেবল পড়তে পারেন। টুইটারের প্রতিষ্ঠাতারা হলেন জাক ডোরসে, ইভান উইলিয়ামস, বিজ স্টোন এবং নোয়া গ্লাস।
৫০. টুইটারের স্লোগান কোনটি?
→ টুইটারের স্লোগান হলো "কী হচ্ছে"।
ধন্যবাদ সবাইকে।
Prepared by:
Remon Saha (অভিমানী ছেলেটি)
M.B.A. (Department of Accounting)
University of Chittagong.
(To be continued...)

Ads

বিসিএস গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রস্ন

          ৩৮তম বিসিএস প্রিলি প্রস্তুতি ১) 'Venus de milo' কি?? a) একটি চিত্রশিল্প b) একটি সাহিত্যকর্ম c) একটি ভাস্কর্য★★ d) এক...