Saturday, November 11, 2017

জাপান

                        
                              জাপান

আয়তনঃ  ৩৭৭৯৬২  কিমি
রাজধানীঃ টোকিও
রাষ্ট্রীয় ভাষাসমূহঃ নেই
জনসংখ্যা: ১২ কোটি ৭৭ লক্ষ (2008)
স্বীকৃত আঞ্চলিক ভাষাসমূহঃ আইনু ভাষা   ওকিনাওয়া ভাষা   পূর্ব জাপানি     পশ্চিম জাপানি  অন্যান্য বিভিন্ন জাপানি উপভাষাসমূহ


সরকারঃ এককেন্দ্রিক সংসদীয়, সাংবিধানিক রাজতন্ত্র
সম্রাটঃ আকিহিতো
প্রধানমন্ত্রীঃ শিনযো আবে
মুদ্রাঃ ইয়েন (¥)

জাপানে মোঙ্গল অনুপ্রবেশের সময় সামুরাই যোদ্ধারা মোঙ্গলদের সম্মুখীন হচ্ছে। কথিত আছে, কামিকাজে নামে দুটি ঝড় জাপানকে মোঙ্গলদের হাত থেকে রক্ষা করেছিল।

১৯৪৫ সালের ২ সেপ্টেম্বর জাপানি আধিকারিকেরা মিত্রশক্তির কাছে আত্মসমর্পণ করছে। এই ঘটনায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়।

জাপান ভূখণ্ডের ৭৩ শতাংশই বনভূমি


টোকিও স্টক এক্সচেঞ্জ
এশিয়ার বৃহত্তম স্টক এক্সচেঞ্জ.


কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জাপান সম্পর্কে

 সূর্যোদয়ের দেশ→জাপান।

 ভূমিকম্পের দেশ→জাপান।
 জাপান এর প্রাচীন নামঃ নিপ্পন
 জাপানের সুকারা ফুলই হচ্ছে পৃথিবীর বিখ্যাত চেরি ফুল।









বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন নাম ।।

                                                                                                              বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন নাম ।।


ভাটির দেশ→বাংলাদেশ।
 পঞ্চনদের দেশ→পাঞ্জাব।
 বজ্রপাতের দেশ→ভুটান।
 পবিত্র দেশ→ফিলিস্তিন।
 সূর্যোদয়ের দেশ→জাপান।
 ভূমিকম্পের দেশ→জাপান।
 নিষিদ্ধ দেশ→তিব্বত।
 শান্ত দেশ→কোরিয়া।
 শান্ত সকালের দেশ →কোরিয়া।
 সাদা হাতির দেশ→থাইল্যান্ড।
 সোনালী প্যাডোডার দেশ→মিয়ানমার।
 নিশীথ সূর্যের দেশ→নরওয়ে।
 ধীবরের দেশ→নরওয়ে।
 হাজার হ্রদের দেশ→ফিনল্যান্ড।
 হাজার দ্বীপের দেশ→ফিনল্যান্ড।
 নীল নদের দেশ→মিসর।
 পিরামিডের দেশ→মিসর।
 মরুভুমির দেশ→অাফ্রিকা।
 চীর সবুজের দেশ→নাটাল।
 ম্যাপল পাতার দেশ→কানাডা।
 লিলি ফুলের দেশ→কানাডা।
 মুক্তার দেশ→কিউবা।
 ক্যাঙ্গারুর দেশ→অস্ট্রেলিয়া।
 পশমের দেশ→অস্ট্রেলিয়া।
 মেডিটেরিয়ানের দেশ→জিব্রাল্টার।
 সিল্ক রুটের দেশ→ইরান।
 প্রাচীরের দেশ→চীন।
                                                                                                          মার্বেলের দেশ→ইতালি

Wednesday, November 8, 2017

শেষ মুহূর্তের বিসিএস প্রস্তুতি





 সুশান্ত পাল

-
০১. আবেগ কমান, সাধারণ জ্ঞান পড়া কমান। বিসিএস
সাধারণ জ্ঞান পাণ্ডিত্যের খেলা নয়।
-
০২. আগে কী পড়েছেন, কিংবা পড়েননি, সেটা
ভুলে যান। বেশি পড়লেই যেমন প্রিলি পাস করা
যাবেই, এমন কিছু নেই; তেমনি কম পড়লেই যে
প্রিলি ফেল করবেনই, তেমন কিছু নেই।
-
০৩. সামনের ১০ দিনে গুনে গুনে অন্তত ১৬০ ঘণ্টা
ঠিকভাবে পড়াশোনা করবেন, এর জন্য মানসিক
প্রস্তুতি রাখুন। এটা করতে পারলে আগে
কোনো কিছু না পড়লেও প্রিলি পাস করে যাবে।
-
০৪. ১০ দিনে বাসায় ৫০ সেট মডেল টেস্ট
দেবেন।
-
০৫. ভালো একটা প্রিলি ডাইজেস্ট আর বিভিন্ন প্রিলি
স্পেশাল সংখ্যা সমাধান করুন। প্রিলির প্রশ্নব্যাংক আর
দুটি জব সল্যুশন রিভিশন দিন।
-
০৬. অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাসা থেকে বের
হবেন না। এই ১০ দিন মোবাইল ফোন, টিভি,
ফেসবুক, ইমো, ভাইবার, হোয়াটসঅ্যাপ থেকে
যতটুকু সম্ভব দূরে থাকলে আপনার জীবন বৃথা
হয়ে যাবে না।
-
০৭. সংবিধান, রাজধানী ও মুদ্রা, শাখানদী ও উপনদী,
প্রকৃতি ও প্রত্যয়সহ কিছু ঝামেলাযুক্ত টপিক আছে,
যেগুলো মনে রাখতে অনেক পরিশ্রম করতে
হয়, অথচ মার্কস পাওয়া যায় ১-২। কী দরকার? সময়টা
অন্য দিকে দিন, বেশি মার্কস আসবে।
-
০৮. সব ধরনের রেফারেন্স বই থেকে ১০০ হাত
দূরে
থাকুন। অত সময় নেই।
-
০৯. বেশি বেশি প্রশ্ন পড়ুন, আলোচনা অংশটা কম
পড়বেন।
-
১০. এই ১০ দিনে পেপার পড়ার আর খবর শোনার
কোনো দরকার নেই।
-
১১. মানসিক দক্ষতা, নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন—এ
দুটি বিষয়ের কনফিউজিং প্রশ্নের উত্তর করবেন না।
সাধারণ জ্ঞান থেকে অনেক উত্তর পেয়ে
যাবেন।
-
১২. যা কিছু বারবার পড়লেও মনে থাকে না, তা কিছু
পড়ার দরকার নেই।
-
১৩. কে কী পড়ছে, সে খবর নেওয়ার দরকার
নেই।
যাঁদের প্রস্তুতি অনেক ভালো, তাঁদের সঙ্গে এই
১০ দিনে
প্রিলি নিয়ে কোনো কথা বলবেন না।
-
১৪. বিজ্ঞানটা শুধু প্রিলির প্রশ্নব্যাংক আর জব সল্যুশন
থেকে পড়ুন।
-
১৫. পাটিগণিত বাদে গাণিতিক যুক্তির বাকিগুলো
প্র্যাকটিস করুন।
-
১৬. বাংলা ও ইংরেজি সাহিত্যের জন্য শুধু সরকারি চাকরির
প্রশ্নগুলো পড়ুন।
-
১৭. বাংলা ও ইংরেজি ব্যাকরণ আগে যা পড়েছেন, শুধু
সেইটুকুই আরও একবার পড়ে নিন।
-
১৮. গত ৫ মাসের সাধারণ জ্ঞানের তথ্যগুলো
কোনো একটি গাইড/বই থেকে এক নজর
দেখে নিন।
-
১৯. ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা
মাধ্যমিকের
সামাজিক বিজ্ঞান বইটি থেকে দেখতে পারেন।
-
২০. যে প্রশ্নগুলোর উত্তর অনেক দিন ধরেই
পাচ্ছেন না,
সেগুলো নিয়ে ভাবা বন্ধ করে দিন।
-
২২. পুরোপুরিই মোবাইল ফোন আর ফেসবুক
মুক্ত সময়
কাটান।
-
২৩. পরদিনের জন্য পরীক্ষার হলের
প্রয়োজনীয়
জিনিসপত্র গুছিয়ে রাখুন।
-
২৪. রাতে হালকা খাবার খেয়ে ১০টার মধ্যেই ঘুমিয়ে
পড়ুন।
প্রিলির আগের রাতে ভালো ঘুম না হলে যতই
প্রস্তুতি থাক না
কেন, পরীক্ষা খারাপ হওয়ার আশঙ্কা বেশি। অন্তত
৮ ঘণ্টা ঘুমাবেন।
-
২৫. পরীক্ষার দিন সকালে উঠে ১৫ মিনিট প্রার্থনা
করুন।
এরপর ফ্রেশ হয়ে হালকা নাশতা করে হাতে ‘সময়
নিয়ে’ (কোনোভাবেই ‘বইপত্র নিয়ে’ নয়)
হলের
উদ্দেশে বেরিয়ে পড়ুন। বের হওয়ার আগে
আরও একবার
দেখে নিন, প্রয়োজনীয় সবকিছু নিয়েছেন কি
না।
-
২৬. পরীক্ষার হলে যে ভাবনাটা সবচেয়ে বেশি
ম্যাজিকের মতো কাজ করে, সেটি হলো ‘আই
অ্যাম দ্য
বেস্ট’ ভাবনা। আপনার চেয়ে ভালো পরীক্ষা
কেউই
দিচ্ছে না, এটা বিশ্বাস করে পরীক্ষা দিন।
-
২৭. উত্তরপত্রে সেট কোডসহ অন্যান্য তথ্য
ঠিকভাবে
পূরণ করুন। এটা ভুল হলে সব শেষ।
-
২৮. সব প্রশ্নই উত্তর করার জন্য নয়। লোভে
পাপ, পাপে
নেগেটিভ মার্কস।
-
২৯. বুদ্ধিশুদ্ধি করে কিছু প্রশ্ন ছেড়ে না এসে
উত্তর
করতে হয়। এ রকম ৬টা প্রশ্ন ছেড়ে শূন্য পাওয়ার
চেয়ে
অর্ধেক ঠিক করে ১ দশমিক ৫ পাওয়া ভালো।
-
৩০. সাধারণত যেকোনো বিষয় নিয়ে দ্বিতীয়বার
ভাবার সময়
আমাদের দক্ষতা বৃদ্ধি পায়। প্রথম দেখায় যে
প্রশ্নগুলোর
উত্তর পারেন না মনে হবে, সেগুলো মার্ক
করে
পরেরটায় চলে যাবেন। সময় নষ্ট করার সময় নেই।
-
৩১. প্রশ্ন ভুল কি ঠিক, সেটা নিয়ে মাথা খারাপ করবেন
না।
-
৩২. বৃত্ত ভরাট করতে করতে ক্লান্ত? একটু
ব্রেক নিন।
চাকরিটা পেয়ে গেলে আপনার জীবনটা
কীভাবে
বদলে যাবে, কাছের মানুষগুলোর হাসিখুশি মুখ
একবার কল্পনায়
আনুন; ক্লান্তি কেটে যাবে।
-
৩৩. কয়টা দাগালে পাস, এমন কোনো নিয়ম নেই।
আপনি যেগুলো পারেন, সেগুলোর উত্তর
করবেন। এরপর
যেগুলো একেবারেই পারেন না, সেগুলো বাদ
দিয়ে
বাকিগুলোর ৬০ শতাংশ উত্তর করবেন।
-
৩৪. কোনো প্রশ্নেই বেশি গুরুত্ব দেবেন না।
সব
প্রশ্নেই ১ নম্বর।
-
৩৫. আপনার আশপাশে কে কয়টা দাগাচ্ছে, কোনটি
দাগাচ্ছে,
সেদিকে তাকাবেন না। এতে আপনি বেশ কিছু জানা
প্রশ্ন ভুল
দাগাতে পারেন।
-
৩৬.পরিচয় দেওয়ার মতো একটা চাকরি সবারই হোক।
সিভিল সার্ভিসে আপনাদের স্বাগত জানাই।

নৈতিকতা মূল্যবোধ ও সুশাসন: পার্টঃ ২

পার্টঃ ২


যারা পার্ট ১ দেখেন নাই তারা এখানে ক্লিক করেন। 
পার্ট ১:

১. সুশাসন হচ্ছে এমন এক শাসন ব্যবস্থা যা শাসক ও শাসিতের মধ্যে -- আস্থার সম্পর্ক গড়ে তোলে।
২. Johannesburg Plan of Implementation সুশাসনের সঙ্গে যে বিষয়টিকে অধিকতর গুরুত্ব দেয়
-- টেকসই উন্নয়ন।
৩. দায়িত্বশীলতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হলে প্রতিষ্ঠিত হবে -- সুশাসন।
৪. নৈতিকতা হলো -- সমাজ কর্তৃক স্বীকৃত আচরণবিধি।
৫. নৈতিক শিক্ষা শুরু হয় -- পারিবারিক ভদ্রতা, শিষ্টাচার, সততা, ন্যায়পরায়ণতা, নিয়ম-নিষ্ঠা, সহনশীলতা ইত্যাদি দ্বারা।
৬. আইনের সাফল্য নির্ভর করে মূলত -- নীতিবোধের ওপর।
৭. মূল্যবোধ শিক্ষা (Values Education) হলো
-- নৈতিকতা সম্বন্ধে চেতনা প্রদায়ী শিক্ষা।
৮. 'কারাগার' যে ধরনের শিক্ষা প্রদান করে
-- মূল্যবোধ।
৯. নৈতিক উন্নয়নের শিক্ষা দান করে -- মূল্যবোধ শিক্ষা।
১০. মূল্যবোধ শুরু হয় -- নৈতিকতার মাধ্যম।
১১. 'মূল্যবোধ হলো ব্যক্তি বা সামাজিক দলের অভিপ্রেত ব্যবহারের সুবিন্যস্ত প্রকাশ' উক্তিটি --
এম. ডব্লিউ. পামফ্রে।
১২. মূল্যবোধ যে ধরনের বিষয় -- মানসিক।
১৩. 'কোনো সত্তা বা বিশ্বাসের অন্তর্নিহিত মূল্য হলো
মূল্যবোধ।' সংজ্ঞাটি -- অ্যান্থনি জি ক্যাটান্স।
১৪. স্টুয়ার্ড সিডড হলেন -- একজন সমাজবিজ্ঞানী।
১৫. নৈতিকতা যে শাস্ত্রের শাখা -- দর্শন।
১৬. সামাজিক মূল্যবোধের অন্যতম শক্তিশালী ভিত্তি
-- সহনশীলতা।
১৭. শারীরিক মূল্যবোধকে সৌন্দর্যবোধ হিসেবে অাখ্যায়িত করেছেন -- এডওয়ার্ড স্পেন্সার।
১৮. ভদ্রতা, সততা, একতা যে ধরনের মূল্যবোধের উদাহরণ --সুষ্পষ্ট।

                   নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন

১. কতকগুলো মনোভাবের সমন্বয়ে গঠিত অপেক্ষাকৃত স্থায়ী বিশ্বাসকে কী বলে?
উ : মূল্যবোধ
২. সুনাগরিক হবার শিক্ষাদান করে জ্ঞানের কোন শাখা?
উ : পৌরনীতি ও সুশাসন
৩. মূল্যবোধ শিক্ষার ধারণা মানব মনে কোন দিকটির উদ্ভব ঘটায়?
উ : বিবেকবোধ
৪. “মূল্যবোধ হচ্ছে ব্যক্তি বা সামাজিক দলের অভিপ্রেত ব্যবহারের সুবিন্যস্ত প্রকাশ।” -উক্তিটি কার?
উ : এম. ডব্লিউ. পামফ্রে
৫. চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী নিচের কোনটির কার্যক্রমকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করে?
➢ উ : শাসন বিভাগ
➢ ৬. প্রশাসনের ওপর পূর্ণ কর্তৃত্ব কার হতে ন্যস্ত থাকে?
➢ উ : জনগণের
➢ ৭. বিশ্বব্যাংক সুশাসনের জন্য কয়টি সূচক চিহ্নিত করেছে?
➢ উ : ৬টি
➢ ৮. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কোনটিকে নিশ্চিত করা যায়?
➢ উ : জনগণের ক্ষমতায়ন
➢ ৯. সুশাসনের মূল চাবিকাঠি কোনটি?
➢ উ : জবাবদিহিতা
➢ ১০. আইনের শাসন না থাকলে থাকে না-
➢ উ : গণতন্ত্র
➢ ১১. মানবাত্মার অনুভূতিকে কী বলা হয়?
➢ উ : দেশাত্মবোধ
➢ ১২. কত সালে, কে সুশাসন প্রত্যয়টি সর্বপ্রথম ব্যবহার করে?
➢ উ : ১৯৮৯, WB
➢ ১৩. মূল্যবোধ কীসের মাধ্যমে নির্ধারিত হয়?
➢ উ : নৈতিকতা
➢ ১৪. কোন মূল্যবোধের ব্যক্তিরা সহজেই মানুষের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও প্রীতির সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারে?
➢ উ : সামাজিক
➢ ১৫. সুশাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন কোনটি?
➢ উ : গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ
➢ ১৬. ই-গভর্ন্যান্সের প্রয়োগ ক্ষেত্র মূলত কয়টি?
➢ উ : ৩টি
➢ ১৭. শাসন বিভাগকে চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীসমূহ কীভাবে সাহায্য করে?
➢ উ : তথ্য দিয়ে
➢ ১৮. একটি দেশের প্রকৃত সুশাসন কোনটির ওপর নির্ভর করে গড়ে ওঠে?
➢ উ : রাজনৈতিক কর্তব্য
➢ ১৯. ‘Red Tapism‘ বা ‘লাল ফিতার দৌরাত্ম্য’ এর সাথে সম্পর্কিত-
➢ উ : আমলাতন্ত্র
➢ ২০. মূল্যবোধের ইংরেজি প্রতিশব্দ-
➢ উ : Values
➢ ২১. সহনশীলতা কার গুণ?
➢ উ : সুনাগরিকের
➢ ২২. কীসের মাধ্যমে মূল্যবোধ দৃঢ় হয়?
➢ উ : শিক্ষার মাধ্যমে
➢ ২৩. “সামাজিক মূল্যবোধ ঐ সমস্ত রীতিনীতির সমষ্টি যা ব্যক্তি সমাজের নিকট হতে আশা করে এবং সমাজ ব্যক্তির নিকট হতে লাভ করে” -উক্তিটি কার?
➢ উ : স্টুয়ার্ট সি. ওড
➢ ২৪. ই-গভর্ন্যান্সের মাধ্যমে সুশাসন প্রতিষ্ঠার বিষয়টি কার ওপর নির্ভর করে?
➢ উ : নাগরিক
➢ ২৫. কি সমুন্নত রাখা সরকারের অতি পবিত্র দায়িত্ব?
➢ উ : সংবিধান
➢ ২৬. ই-গভর্ন্যান্সের একমাত্র লক্ষ্য কী?
➢ উ : সুশাসন প্রতিষ্ঠা
➢ ২৭. কোন পদ্ধতির মাধ্যমে সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করে সুষ্ঠু বণ্টন করা যায়?
➢ উ : ই-শাসন
➢ ২৮. গণতন্ত্রের মূলমন্ত্র কী?
➢ উ : সাম্য, স্বাধীনতা ও ভ্রাতৃত্ব
➢ ২৯. সুশাসন বাক ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করে কোনটির দ্বারা?
➢ উ : গণমাধ্যমের স্বাধীনতা
➢ ৩০. সততা, শিষ্টাচার, ন্যায্যতা, সাধুতা এগুলো কী ধরনের গুণ?
➢ উ : নৈতিক গুণ
➢ ৩১. “ন্যায়ধর্ম জ্ঞান সমতুল্য এবং রাষ্ট্রে ভিত্তি” -উক্তিটি কার?
➢ উ : প্লেটো
➢ ৩২. সামাজিক মূল্যবোধকে কী হিসেবে ব্যবহার করা যায়?
➢ উ : সামাজিক মাপকাঠি
➢ ৩৩. বাংলাদেশের সামাজিক মূল্যবোধের প্রয়োজনীয়তা বেশি কেন?
➢ উ : ঘুষ ও দুর্নীতি দূর করার জন্য
➢ ৩৪. কোনটি নাগরিকের বড় গুণ?
➢ উ : সচেতনতা
➢ ৩৫. গণমাধ্যমের স্বাধীনতা অর্থ কী?
➢ উ : জনস্বার্থের বিষয়গুলো তুলে ধরা
➢ ৩৬. কোনটি সরকার ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগ সহজতর করে তোলে?
➢ উ : ই-গভর্ন্যান্স
➢ ৩৭. ই-গভর্ন্যান্স বাস্তবায়নের পথে অন্যতম বাধা কী?
➢ উ : সমন্বয়হীনতা
➢ ৩৮. শাসন বিভাগের মূল কাজ হলো-
➢ উ : আইন প্রয়োগ
➢ ৩৯. হরতাল ও রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণ কি?
➢ উ : রাজনৈতিক ঐক্যমত্যের অভাব
➢ ৪০. বাংলাদেশকে স্বাধীন করার ক্ষেত্রে কোন অনুভূতি বেশি কাজ করেছে?
➢ উ : জাতীয়তাবোধ
➢ ৪১. ‘Good Governance’ এর বাংলা প্রতিশব্দ-
➢ উ : সুশাসন
➢ ৪২. মূল্যবোধ মানুষের কোন আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করে?
➢ উ : আত্মিক
➢ ৪৩. সুশাসন বাধাগ্রস্ত হয়-
➢ উ : আইনের শাসন না থাকলে
➢ ৪৪. সুশাসন কার্যকর করার দায়দায়িত্ব কার ওপর বেশি থাকে?
➢ উ : সরকারের
➢ ৪৫. সুশাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন করতে পারে কে?
➢ উ : সরকার
➢ ৪৬. পৃথিবীর বেশিরভাগ দেশে কোন ক্ষেত্রে দক্ষ লোকের অভাব রয়েছে?
➢ উ : তথ্যপ্রযুক্তিতে
➢ ৪৭. কোন প্রক্রিয়া আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর এবং সরকারের কর্ম সম্পাদনে ব্যাপক পরিবর্তন ও সংস্কার আনয়নে সক্ষম?
➢ উ : ই-গভর্ন্যান্স
➢ ৪৮. অধ্যাদেশ জারি করতে পারে কোন বিভাগ?
➢ উ : শাসন বিভাগ
➢ ৪৯. সমাজে সামাজিক সেতুবন্ধন হিসেবে ভূমিকা পালন করে কোনটি?
➢ উ : মূল্যবোধ
➢ ৫০. মূল্যবোধ কোন ধরনের বিষয়?
➢ উ : সামাজিক
➢ ৫১. কোনটির ক্ষেত্রে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার বিকল্প নেই?
➢ উ : সুশাসনের
➢ ৫২. সাংস্কৃতিক মূল্যবোধগুলো কী থেকে বেশি পরিমাণে উদ্ভূত হয়?
➢ উ : সামাজিক প্রথা
➢ ৫৩. নিচের কোনটি মূল্যবোধের উৎস?
➢ উ : সবগুলোই
➢ ৫৪. মূল্যবোধগুলো সমাজে কী হিসেবে ভূমিকা পালন করে?
➢ উ : সামাজিক পরিবর্তনশীলতা
➢ ৫৫. The British and Irish ombudsmen Association কর্তৃক কার্যকর জন প্রশাসন গড়ে তোলার জন্য কয়টি নীতির কথা বলা হয়েছে?
➢ উ : ৬টি
➢ ৫৬. সরকারি সেবা প্রাপ্তির প্রক্রিয়াগুলো কী রকম হয়?
➢ উ : জটিল প্রকৃতি
➢ ৫৭. কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠনের অপরিহার্য শর্ত কোনটি?
➢ উ : সুশাসন প্রতিষ্ঠা
➢ ৫৮. ‘ব্যক্তিস্বাধীনতার জন্য বিচার বিভাগের স্বাধীনতা অপরিহার্য’ -উক্তিটি কার?
➢ উ : অধ্যাপক লাস্কি
➢ ৫৯. সমাজে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত না হওয়ার কারণ-
➢ উ : ক্ষমতার অপব্যবহার
➢ ৬০. সমাজের বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ চাহিদা পূরণের দায়বদ্ধতা কীসের?
➢ উ : সুশাসনের
৬১. ‘মূল্যবোধ হচ্ছে ব্যক্তি বা সামাজিক দলের অভিপ্রেত ব্যবহারের সুবিন্যস্ত প্রকাশ’ -এ সংজ্ঞাটি কার?
➢ উ : এম ডব্লিউ পামফ্রে
৬২. যে মূল্যবোধ মানুষের বাইরের ব্যক্তিত্বকে গড়ে তোলে তাকে কী বলে?
➢ উ : বাহ্যিক মূল্যবোধ
৬৩. শাসক ও শাসিতের মাঝে সুসম্পর্ক সৃষ্টি করে কে?
➢ উ : সুশাসন
৬৪. কোনটিকে সুশাসনের প্রাণ বলা হয়?
➢ উ : শাসনকার্যে জনগণের অংশগ্রহণ
৬৫. মূল্যবোধের শিক্ষার কারণে জাগ্রত হয়-
➢ উ : দেশপ্রেম, সততা, ন্যায়পরায়ণতা
৬৬. কোন আইনের মাধ্যমে মেধা পাচার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব?
➢ উ : IPR
৬৭. ই-গভর্নমেন্ট এর শাব্দিক অর্থ কী?
➢ উ : ডিজিটাল সরকার
৬৮. আইন অমান্যকারীকে শাস্তি প্রদান ও বিচার করা কোন বিভাগের কাজ?
➢ উ : বিচার বিভাগ
৬৯. গ্রহণ ও শ্রদ্ধার শিক্ষাই হলো-
➢ উ : আত্মসংযম
৭০. প্রতিষ্ঠানের বিকাশের জন্য আবশ্যকীয় উপাদান কোনটি?
➢ উ : সুশাসন
৭১. মূল্যবোধের অপর নাম কী?
➢ উ : নৈতিকতা
৭২. সামাজিক মূল্যবোধের অন্যতম শক্তিশালী ভিত্তি কোনটি?
➢ উ : সহনশীলতা
৭৩. মূল্যবোধ শিক্ষার সাথে সুশাসনের কোন ধরনের সম্পর্ক বিদ্যমান?
➢ উ : রাষ্ট্রীয় উন্নয়ন
৭৪. সুশাসনের মানদণ্ড হিসেবে পরিচিত-
➢ উ : জনগণের সন্তুষ্টি
৭৫. সুশাসন বাধাগ্রস্ত হয়-
➢ উ : আইনের শাসন না থাকলে।

                       নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন

১. ‘গভর্নেন্স’ একটি – বহুমাত্রিক ধারণা।
২. ২০০০ সালে বিশ্বব্যাংক কর্তৃক প্রকাশিত এক সমীক্ষায় বলা হয় সুষ্ঠু গভর্নেন্স বা সুশাসন – ৪টি প্রধান স্তরের উপর নির্ভরশীল।যথা – ক) দায়িত্বশীলতা খ) স্বচ্ছতা গ) আইনি কাঠামো ও ঘ) অংশগ্রহণ।
৩. ১৯৯৪ সালে বিশ্বব্যাংক প্রদত্ত সংজ্ঞায় বলা হয়েছে – “সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি দেশের সামাজিক এবং অর্থনৈতিক সম্পদের ব্যবস্থাপনার জন্য ক্ষমতা প্রয়োগের পদ্ধতিই হলো গভর্নেন্স।”
৪. ‘ই-গভর্নেন্স’ শব্দটি এসেছে – ‘ই-গভর্মেন্ট’ বা ‘ইলেক্ট্রনিক গভর্মেন্ট’ থেকে।
৫. ‘ই-গভর্নেন্স’ কে অনেক সময় – ডিজিটাল গভর্নেন্স, অনলাইন গভর্নেন্স নামেও অভিহিত করা হয়।
৬. ‘ই-গভর্নেন্স’ কে বাংলায় – ‘ইলেক্ট্রনিক সরকার বা শাসন’ বলা হয়।
৭. ‘ই-গভর্নেন্স’ বলতে – তথ্যপ্রযুক্তি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এবং ইন্টারনেট ও কম্পিউটারভিত্তিক যোগাযোগকে বুঝায়।যা শাসনের এমন এক পদ্ধতি যেখানে সরকারি সেবা ও তথ্যসমূহ জনগণ সহজে ঘরে বসেই পেতে পারে।
৮. ই-গভর্নেন্স ও সুশাসনের মধ্যে রয়েছে – নিবিড় সম্পর্ক।
৯. বাংলাদেশে ডিজিটাল পদ্ধতির ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন – শেখ হাসিনার সরকার।
১০. ‘ইলেক্ট্রনিক গভর্নেন্স’ এর মূল লক্ষ্য – সুশাসন প্রতিষ্ঠা।
১১. ‘ই-গভর্নেন্স’ চালু হলে – স্বচ্ছতা, দক্ষতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়।
১২. ‘সুশাসন’ শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দ – Good Governance
১৩. ‘সুশাসন’ শব্দটির প্রকাশ ঘটানো হয়েছে – ‘গভর্নেন্স’ প্রপঞ্চটির সাথে ‘সু’ প্রত্যয় যোগ করে।
১৪. ‘সুশাসন’ একটি – বহুমাত্রিক ধারণা।
১৫. ‘সুশাসন’ ধারণাটি – বিশ্বব্যাংকের উদ্ভাবিত একটি ধারণা।
১৬. বিশ্বব্যাংক উদ্ভাবিত সুশাসন ধারণাটিতে মূলত – উন্নয়নশীল দেশের অনুন্নয়ন চিহ্নিত করা হয়।
১৭. ১৯৮৯ সালে বিশ্বব্যাংকের এক সমীক্ষায় সর্বপ্রথম – ‘সুশাসন’ প্রত্যয়টি ব্যবহার করা হয়।
১৮. বর্তমান সময়ে প্রায় সব রাষ্ট্রই – কল্যাণকর রাষ্ট্র।
১৯. আইনের শাসনের মৌলিক শর্ত – ৩টি। যথা- ক) আইনের দৃষ্টিতে সকলে সমান খ) আইনের আশ্রয় গ্রহণের সুযোগ বিদ্যমান থাকা ও গ) শুনানী গ্রহণ ব্যতীত কারো বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করা।
২০. দূর্নীতি দমনের জন্য প্রয়োজন – স্বাধীন দূর্নীতি দমন কমিশন।
২১. সুশাসন বাধাগ্রস্থ হয় – আইনের শাসন না থাকলে।
২২. সুশাসনের একটি সমস্যা হলো – জবাবদিহিতার অভাব।
২৩. অকারণে হরতাল ডাকা হয় – বাংলাদেশে।
২৪. প্রায় এক যুগের অধিক সময় ধরে দূর্নীতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েই চলেছে – বাংলাদেশ।
২৫. যে তিনটি মহাদেশে বারবার সামরিক অভ্যুত্থান হয়েছে – এশিয়া, আফ্রিকা ও ল্যাটিন (দক্ষিণ) আমেরিকা।
নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন
.
১. মূল্যবোধ শিক্ষা হলো – নৈতিকতা সম্বন্ধে চেতনা প্রদীয় শিক্ষা
২. মূল্যবোধ শিক্ষা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান – পরিবার
৩. মূল্যবোধ কে মানুষের ইচ্ছার একটি প্রধান মানদণ্ড বলছেন – M. R. William
৪. মূল্যবোধ বিষয়টি বিশ্লেষণ করে পাওয়া যায় – মানসিক প্রক্রিয়া
৫. ‘ কোনো সত্তা বা বিশ্বাসের অন্তর্নিহিত মূল্য হলো মূল্যবোধ ‘ – সংজ্ঞাটি – অ্যান্থনি জি ক্যাটান্স এর
৬. নৈতিকতা যে শাস্ত্রের শাখা – দর্শন
৭. শাসক ও শাসিতের মাঝে সুসম্পর্ক সৃষ্টি করে – সুশাসন
৮. পরিবর্তন প্রতিরোধের মানসিকতা প্রকটভাবে দেখা যায় – আমলাদের মধ্যে
৯. পরানীতিবিদ্যার ইংরেজি প্রতিশব্দ – Metaethics
১০. Modern Moral Philosophy গ্রন্থটির রচয়িতা – W. D. Hudson
১১. উৎপত্তি গত অর্থে নীতি বিজ্ঞান হলো – “ মানুষের রীতিনীতি বা অভ্যাস সম্পর্কিত বিজ্ঞান
১২. সঞ্চয় করার প্রবনতা যে ধরনের মূল্যবোধ – বাক্তিগত মূল্যবোধ
১৩. মানুষ আজন্ম পরিচিত যেটির সাথে – সামাজিক মূল্যবোধ
১৪. সামাজিক মূল্যবোধকে বিশ্বাসের এক প্রকৃতি বলে উল্লেখ করেছেন- আফ. ই. মারিল
১৫. নৈতিকতার উদ্ভব – বাক্তির নিজস্ব সিধান্ত ও পছন্দ থেকে
১৬. সুশাসন প্রত্যয়টি – দ্বিমুখী
১৭. জাতিসংঘের যে উপদেষ্টা বলেন, ‘ যে সমস্ত দেশে সুশাসন আছে কেবল সে সমস্ত দেশেই ঋণ মওকুফ করা হবে’ – ইব্রাহিম গনাবারি
১৮. “সুশাসন” ধারনাটি যার উদ্ভাবিত – বিশ্ব ব্যাংক
১৯. আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা সুশাসনের উপর প্রতিবেদন পেশ করে – ১৯৯৮
২০. সুশাসন অর্থে “ মৌলিক মানবাধিকার” রক্ষা করে বুঝায় যে দেশগুলোতে – অস্ট্রেলিয়া, ডেনমার্ক ও নেদারল্যান্ড
২১. মানুষের আচরনের ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তারকারী ধারনা বা আদর্শসমূহকে বলে – সামাজিক মূল্যবোধ
২২. নাগরিকের কর্তব্য ভাগ করা হয় – ৩ ভাগে
২৩. সংবাদপত্রের স্বাধীনতা কোন ধরনের আধিকার – সামাজিক অধিকার
২৪. G2C প্রক্রিয়ায় যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হয় – সরকার ও নাগরিকের মধ্যে
২৫. সুশাসন বাস্তবায়নের অন্যতম প্রধান হাতিয়ার – ই-প্রকিউরমেন্ট
২৬. বর্তমান সময়ের গনতন্ত্র যে রকম – প্রতিনিধিত্বমূলক
২৭. সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আগ্রাসন থেকে রক্ষা করে – ধর্ম কে
২৮. সমাজে সকল ধর্মের মানুষের প্রতি স্রধা দেখিয়ে সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখার ক্ষেত্রে সংবিধানের যে অনুছেদে ধর্মীয় স্বাধীনতার কথা বলা আছে – ৪১ নং
২৯. জাতিসংঘ সনদে গুরুত্বপূর্ণ মানবাধিকার ঘোষণা দেয়া হয়েছে – ২৮ টি
৩০. হেবিয়াস কর্পাস এর সাথে সম্পর্কিত – বিচার বিভাগ
৩১. কর্তিত্বের সুস্পষ্ট ক্রমোচচ বিন্যাসের ভিত্তিতে গঠিত দপ্তর ব্যবস্থা বিদ্যমান – আম্লাতন্ত্রে
৩২. বাংলাদেশসহ এশিয়া, আফ্রিকা ও ল্যাটিন আমেরিকার দেশগুলোকে soft society বলেছেন – গুনার মিরডাল
৩৩. মূল্যবোধ শিক্ষা যে ধরনের জ্ঞান দান করে – ভাল-মন্দ
৩৪. কিসের মাধ্যমে মূল্যবোধ শুরু হয়- নৈতিকতার মাধ্যমে
৩৫. “চুরি করা অন্যায়“ – নৈতিকতার উদাহরন
৩৬. বাংলাদেশে উন্নয়নের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টির জন্য জরুরি – সুশাসন
৩৭. নাগরিক কর্তব্য পালনের শিক্ষা দিয়ে সুশাসন কে ত্বরান্বিত করে – মূল্যবোধের শিক্ষা
৩৮. উৎপত্তিগত অর্থে নীতিবিজ্ঞান হলো – মানুষের রীতিনীতি বা অভ্যাস সম্পর্কিত বিজ্ঞান
৩৯. সামাজিক মূল্যবোধের অন্যতম শক্তিশালী ভিত্তি – সহনশীলতা
৪০. ইতিবাচক মূল্যবোধ যে ধরনের – আচরণগত
৪১. ইতিবাচক মূল্যবোধ যে ধরনের – আচরণগত
৪২. নতুন নতুন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে ব্যক্তির সমস্যা সমাধানের পথ বলে – গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ
৪৩. নৈতিকতার সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বিদ্যমান – আইন
৪৪. বিশ্বব্যাংক যে প্রতিবেদনে সুশাসনের ধারনকে সুস্পষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত করে – Government and Development
৪৫. সুশাসন হলো একটি কাঙ্ক্ষিত রাষ্ট্রীয় ব্যাবস্থার – প্রতিফলন
৪৬. আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হলে – সামাজিক, সাম্য, নাগরিক অধিকার, গণতান্ত্রিক সমাজ ও স্থিতিশীল রাষ্ট্রব্যাবস্থা প্রতিষ্ঠা পায়
৪৭. মানুষের আচরণের ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তারকারী ধারণা বা আদর্শসমূহকে বলে – সামাজিক মূল্যবোধ
৪৮. সুশাসনের চালিকা শক্তি – স্বচছতা
৪৯. যেটিকে ধারন করলে গনতন্ত্র অধিক কার্যকর হয় – গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ
৫০. সামাজিক উন্নয়নের বিশেষ দিক – নারী ক্ষমতায়ন
৫১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে বৃহদায়তনে নাগরিকদের রাজনৈতিক অংশগ্রহনকে আখ্যায়িত করা হয় – ই-গনতন্ত্র নামে
৫২. যৌন হয়রানি নিরুৎসাহিত হয় যার প্রভাবে – মূল্যবোধের শিক্ষা
৫৩. সকলের জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করে যে বেবস্থা – সুশাসন
৫৪. গণমাধ্যমে স্বাধীনতার অর্থ – জনস্বার্থের বিষয়গুলো তুলে ধরা
৫৫. ঐক্যমত, সংবেদনশীলতা যার উপাদান – সুশাসন
৫৬. লিঙ্গবৈষম্মের অনুপস্থিতি নিশ্চিত করতে প্রয়োজন – আইনের শাসন , দায়িত্বশীল সরকার , দেশপ্রেম
৫৭. মূল্যবোধের উপাদান – নীতি, শৃঙ্খলাবোধ ও সহনশীলতা
৫৮. “ভিক্ষুক কে ভিক্ষা দেয়া” যে ধরনের আইন – নৈতিক আইন
৫৯. বিচার ব্যাবস্থায় ন্যায়বিচার বা গতি আনয়নের জন্য সনবিধানেরে যে অনুছেদ অনুযায়ী নির্বাহী বিভগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক হয় – ২২ নং
৬০. যে প্রতিষ্ঠানের দৃষ্টিতে সুশাসনের ফলে রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক এবং সামাজিক সম্পদগুলোর টেকসই উন্নয়ন ঘটে থাকে – বিশ্বব্যাংক
৬১. সভ্য সমাজের মানদণ্ড – আইনের শাসন
৬২. কর্মকাণ্ডের ভাল মন্দের বিচার করে – মূল্যবোধ
৬৩. মূল্যবোধ বিভিন্ন সমাজে – বিভিন্ন রকম
৬৪. মূল্যবোধের ভিত্তি – ১০ টি
৬৫. মূল্যবোধ সাধারনত – ৯ প্রকার
৬৬. আর্থিক লেনদেন ব্যবসা বাণিজ্য হলো – অর্থনৈতিক মূল্যবোধ
৬৭. সামাজিক মূল্যবোধ হলো- সুকুমার ব্যক্তির সমষ্টি
৬৮. knowledge is virtue – বলেছেন এরিস্টটল
৬৯. নৈতিকতার রক্ষাকবচ – বিবেকের দংশন
৭০. নৈতিকতা প্রয়োগ করে না – রাষ্ট্র
৭১. আইন ও নৈতিকতার মধ্যে পার্থক্য করেন – ম্যাকিয়াভেলি
৭২. নৈতিকতা হলো – অনির্দিষ্ট ও অস্পষ্ট
৭৩. রাষ্ট্র সাধারনত অনুসরন করে – নৈতিকতাকে
৭৪. সমাজতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থার ভিত্তি – সামাজিক স্বার্থ বাক্তি স্বার্থের উরধে
৭৫. নৈতিকতা ও নীতিবোধের বিকাশ ঘটায় – ভাল-মন্দ, ন্যায়-অন্যায়, উচিত-অনুচিত বোধ
৭৬. নৈতিকতা ভিন্ন হতে পারে – দেস-কাল-পাত্র ভেদে
৭৭. সুনাগরিকের বড় গুন – আত্মসংযম
৭৮. “মূল্যবোধ হলো আবেগিক ও আদর্শগত ঐক্যের বোধ” – ফ্রেঙ্কেল
৭৯. Deniel H.Parkel মূল্যবোধ কে দুটি বিষয়ে বিভক্ত করেছেন- বাস্তব জীবনভিত্তিক মূল্যবোধ ও কল্পনা প্রসূত মূল্যবোধ
৮০. পেশাগত দিক থেকে মূল্যবোধ – ৮ প্রকার
৮১. মানব মনের সুকোমল বৃত্তি প্রকাশের মূল্যবোধ – নান্দনিক মূল্যবোধ
৮২. মানুষের আচার আচরণকে পরিমাপ ও নিয়ন্ত্রন করবে – মূল্যবোধ
৮৩. মানুষের কাজের মানদণ্ড – মূল্যবোধ
৮৪. আইন ও নৈতিকতার মাঝে পৃথক করা হত না – প্রাচীন কালে
৮৫. আইন ও নৈতিকতার মধ্যে পার্থক্য পরিলক্ষিত হয় – পৃথক সত্তা হিসেবে রাষ্ট্রের প্রকাশের পর
৮৬. বিবেক, চিন্তা, বুদ্ধি ও ন্যায়পরায়নতা হলো – নৈতিকতার উৎস
৮৭. সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে অগ্রগতির প্রধান ধাপ – শৃঙ্খলাবোধ
৮৯. “নীতিভ্রষ্ট বা নীতিহীন শাসক হলো অন্যতম পাপী” – মহাত্মা গান্ধী
৯০. নৈতিকতা পরিচালিত হয় – সামাজিক বিবেক দ্বারা
৯১. সামাজিক মূল্যবোধের বৈশিষ্ট্য – আপেক্ষিকতা
৯২. মূল্যবোধ দৃঢ় হয় – শিক্ষার মাধ্যমে
৯৩. আইনের ভিত্তি বলা হয় – মূল্যবোধ কে
৯৪. মানুষ ও পশুর মধ্যে পার্থক্যকারী ধারণা – ঔচিত্তবোধ
৯৫. নৈতিকতা বিকাশের লালনক্ষেত্র – সমাজ
৯৬. মূল্যবোধ কে ভাগ করা যায় – ৬টি ভাগে
৯৭. ব্যক্তিগত মূল্যবোধ লালন করে – স্বাধীনতা
৯৮. যে দেশের মূল্যবোধ অনেক পুরাতন – চীন ও ভারত
৯৯. প্রাচীনকালে ছিল না – রাষ্ট্র ব্যবস্থা
১০০. স্বাধীনতার দরুন প্রতিটি দেশই সৃষ্টি করে – মূল্যবোধ ।

               নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন

১/ জাতিসংঘের মতে, সুশাসনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য কি?
ক) দারিদ্য বিমোচন
খ) মৌলিক অধিকার রক্ষা
গ) মৌলিক স্বাধীনতার উন্নয়ন
ঘ) সংখ্যালঘু উন্নয়ন
#উত্তর:(গ)
২/ কোনটির অভাবে গণতন্ত্র প্রান্তিক পর্যায় পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে না?
ক) শিক্ষা
খ) সচেতনতা
গ) কুসংস্কার
ঘ) আইনের শাসন
#উত্তর: (ক)
৩/ সুশাসনের মূল লক্ষ্য কোনটি?
ক) স্বেচ্ছারিতা
খ) সাম্প্রদায়িকতা
গ) জবাবদিহিতা
ঘ) আমলা নির্ভরতা
#উত্তর: (গ)
৪/ মূল্যবোধের ইংরেজি প্রতিশব্দ কোনটি?
ক) Values
খ) Valuability
গ) Norms
ঘ) Character
#উত্তর: (ক)
৫/ সুশাসন জনপ্রশাসনের একটি---
ক) অংশ
খ) নব্য সংস্কৃতি
গ) শাখা
ঘ) রূপ
#উত্তর: (খ)
৬/ মূল্যবোধের ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়?
ক) শ্রমের মর্যাদা
খ) সহমর্মিতা
গ) শৃঙ্খলাবোধ
ঘ) সহনশীলতা
#উত্তর: (ঘ)
৭/ সুশাসন ও মূল্যবোধের মধ্যে কি ধরনের সম্পর্ক বিদ্যমান?
ক) ইতিবাচক
খ) নেতিবাচক
গ) বিপরীতমুখী
ঘ) একমুখী
#উত্তর: (ক)
৮/ সুশাসনের পথে সরাসরি বাধা কোনটি?
ক) জনগণের অসচেতনতা
খ) দুর্নীতি
গ) রাজনৈতিক অস্থিরতা
ঘ) নেতৃত্বের সংকট
#উত্তর: (খ)
নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন
আইনের দৃষ্টিতে ‘সকল নাগরিক সমান’ বলা হয়েছে সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে?
✔ Ans:-২৭ নং
2 )সন্ত্রাসবাদ কিসের অন্তরায় হিসেবে
কাজ করে?
✔ Ans:-সুশাসন
3) সুশাসনের ইংরেজি প্রতিশব্দ হল-
✔ Ans:-Good Governance
4) সুশাসনের একপক্ষ সরকার অন্যপক্ষ-
✔ Ans:-জনগন
5) আইনের আনুষ্ঠানিক উৎস হল-
✔ Ans:-সংবিধান
6) বাক-স্বাধীনতার কথা বলা আছে
সংবিধানের যে অনুচ্ছেদে-
✔ Ans:-৩৯ নং অনুচ্ছেদে
7) বাংলাদেশের সংবিধানে ধর্মীয়
স্বাধীনতার কথা বলা হয়েছে-
✔ Ans:-৪১ নং অনুচ্ছেদে
মুসলিম আইনের প্রধান উৎস হল-
✔ Ans:-আল-কোরআন
9) যেখানে দেশপ্রেম নেই সেখানে নেই-
✔ Ans:-সুশাসন
10) আইনের দৃষ্টিতে ‘সকল নাগরিক সমান ’
বলা আছে সংবিধানের যে অনুচ্ছেদে-
✔ Ans:-২৭ নং অনুচ্ছেদে
11) ছায়া সরকার বলা হয়-
✔ Ans:-সংবাদ মাধ্যমকে
12) সুশাসনের মানদন্ড হল-
✔ Ans:-জনগণের সম্মতি ও সন্তুষ্টি
14) বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত
করা যার দায়িত্ব-
✔ Ans:-সরকারের
15) ই-গভরনেন্স এর প্রয়োজন হয় মূলত-
✔ Ans:-সু-শাসন প্রতিষ্ঠায়
16) মানবাধিকার লঙ্ঘিত হলে অচল হয়ে পড়ে
✔ Ans:-গনতন্ত্র
17) সরকার ও জনগনের মধ্যে আয়নার মতো
কাজ করে-
✔ Ans:-সংবাদ মাধ্যম
18) লালফিতার দৌরাত্মের ফলে ব্যাহত হয় -
✔ Ans:-উন্নয়ন
19) সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষাকল্পে যে
আইন প্রবর্তন করা হয়-
✔ Ans:-ফৌজদারি আইন
20) প্রশাসন যন্ত্রের ধারক ও বাহক
✔ Ans:-সরকার
21) সুশাসনের আভাস পাওয়া যায়-
✔ Ans:-ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে
22) নিজ ধর্ম চর্চা ও পালন করা হল-
✔ Ans:-সামাজিক অধিকার
23) রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন বলা হয়
✔ Ans:-সাংবিধানিক আইনকে
24) Morality শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে কোন
ল্যাতিন শব্দ হতে
✔ Ans:-Moralitas
25) Moralitas হলো--
✔ Ans:-ভালো আচরন
26) নৈতিকতা ও মূল্যবোধ অর্জনের প্রধান
উৎস –
✔ Ans:-পরিবার
27) যে অধিকার লঙ্ঘিত হল রাষ্ট্রীয়
শাস্তির বিধান নেই-
✔ Ans:-নৈতিক অধিকার
28) আইনের সবচেয়ে প্রাচীন উৎস হল-
✔ Ans:-সামাজিক প্রথাচ
29) মূল্যবোধের বিকাশ শুরু হয়-
✔ Ans:-শিশুকাল থেকে
30) আধুনিক বিশ্ব যে ধরনের মূল্যবোধের
প্রতি গুরুত্বারোপ করেছে-
✔ Ans:-ব্যক্তিগত মূল্যবোধ
31) যৌতুক নিরোধ আইন প্রতিষ্ঠা করা হয়-
✔ Ans:-১৯৮০ সালে
32) যৌতুক নিরোধ আইন সংশোধন করা হয়-হয়-
✔ Ans:-১৯৮৬ সালে
33) শিল্প বিপ্লব সামাজিক মূল্যবোধের-
✔ Ans:-অবক্ষয় ঘটিয়েছে
34) ব্যক্তিগত মূল্যবোধ যে বিষয়টিকে লালন
করে-
✔ Ans:-স্বাধীনতাচ
35) প্রতিটি শিশু যে মূল্যবোধ নিয়ে জন্মায়-
✔ Ans:-ব্যাক্তিগত মূল্যবোধ
36) ভারত ও চীনের মূল্যবোধে পরিলক্ষিত হয়-
✔ Ans:-অনেক পুরাতন মূল্যবোধ
37) অপসংস্কৃতির দ্বারা নষ্ট হয়-করেছে-
✔ Ans:-সামাজিক মূল্যবোধ
38) মাদকাসক্তি প্রতিরোধে যেসব ব্যবস্থা
গ্রহন করা যায় তার মধ্যে অন্যতম হল-
✔ Ans:-নৈতিকতার মূল্যবোধ
39) মানবজীবনের পরিপ্রেক্ষিতে আইনের
পাশাপাশি পরিলক্ষিত হয়-
✔ Ans:-নৈতিকতার
40) দেশের দুর্নাম করা যে মূল্যবোধ এর
পরিপন্থি
✔ Ans:-জাতীয় মূল্যবোধ
41) যে সমাজ থেকে মুসলিম সমাজে ‘যৌতুক
প্রথার’ অনুপ্রবেশ ঘটেছে-
✔ Ans:-হিন্দু সমাজ
42) ব্যক্তির মূল্য ও মর্যাদার স্বীকৃতি হল-
✔ Ans:-পেশাগত মূল্যবোধ
43) সংসদীয় গনতন্ত্রে একচ্ছত্র ক্ষমতার
অধিকারী কে?
✔ Ans:-প্রধানমন্ত্রী
44) সামাজিক ক্ষেত্রে সুশাসন কোনটি?
✔ Ans:-আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা
45) মূল্যবোধগুলো সমাজে কী হিসেবে
ভূমিকা পালন করে?
✔ Ans:-সামাজিক পরিবর্তনশীলতা
46) মূল্যবোধ দৃঢ় করে কোনটি?
✔ Ans:-শিক্ষা
47) মূল্যবোধের ইংরেজি প্রতিশব্দ কোনটি?
✔ Ans:-values
48) জনগন, রাষ্ট্র ও প্রশাসনের সাথে ঘনিষ্ট
প্রত্যয় হল-
✔ Ans:-সুশাসন
49) সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রতিবন্ধকতা কোনটি?
✔ Ans:-সংঘাতময় রাজনীতি
50) সুশাসন ধারনাটির উদ্ভাবক সংস্থা
কোনটি?
✔ Ans:-বিশ্বব্যাংক

Tuesday, November 7, 2017

৩৮তম বি.সি.এস প্রিলি: আন্তর্জাতিক বিষয়


             


                                 আন্তর্জাতিক বিষয়


                                                         

১. "কালাপানি" কোন দুই রাষ্ট্রের মধ্যে অমীমাংসিত ভূখণ্ড?
উ: ভারাত ও নেপাল

২. IMF এর সদর দপ্তর কথায়?
উ: ওয়াশিংটন ডিসি।

৩. সামান্তবাদ কোন ইউরোপীয় দেশে প্রথম সূত্রপাত হয়?
উ: ইতালি

৪. সুয়েজ খাল কোন বছর চালু হয়?
উ: ১৮৬৯

৫. 'War and Peace' উপন্যাস রচয়িতা?
উ:  লিও টলষ্টয়

৬. সার্ক প্রতিষ্ঠিত হয়? 
উ: ১৯৮৫

৭. মাদার তেরেসা  কোন দেশে জন্মগ্রহন করেন?
উ:  ম্যাসিডোনিয়া প্রজাতন্ত্র ( তৎকালীন যুগোস্লাভিয়া )

৮. 'উইঘুর' হলো?
উ: চীনের একটি সম্প্রদায়ের নাম।

৯. ' মুংড়ু' কোন দুটি সীমান্ত এলাকা?
উ: বাংলাদশ- মিয়ান্মার।

১০. 'WIPO' এর সদর দপ্তর?
উ: জেনেভা।

১১. Who is known as the 'Lady of the Lamp'?
উ: Florence Nightingale

১২. The International Court of Justice(ICJ) is located in--
 উ:  Hague

১৩. ইউরো মুদ্রা এর জনক?
 উ: রবার্ট মুন্ডেল।

১৪. আরব বসন্ত কি?
উ: আরবের বিভিন্ন দেশের গণজাগরণ।

১৫. শ্যামদেশ কোন দেশের পুরাতন নাম?
উ: থাইলান্দ।

১৬. গ্রিনল্যান্ড এর মালিকানা কোন দেশের?
উ: ডেনমার্ক।

১৭. থাইল্যান্ড এর রাজার নাম?
উ: মহা ভাজিরালংকন

১৮.The European Organization for Nuclear Research also known as?
উ: CERN

১৯. জিবুতির রাজধানী?
উ: Djibouti

২০. EU ভূক্ত যে কয়টি Euro গ্রহণ করে নাই?
উ: ৯ টি দেশ (গ্রহণ করেছে ১৯ টি দেশ)

২১. When the ASEAN Regional Forum (ARF) was established?
উ: 1994 (member state 27,last member Sri Lanka)

২২. চীনের সাংস্কৃতিক বিল্পব স্থায়ী ছিল কত বছর?
উ: ১০ বছর ( ১৯৬৬-১৯৭৬)

২৩. The International Day of Forests?
উ: 21 March

২৪. Ransomware আঘাত হানে কোন তারিখে?
উ: ১২ মে, ২০১৭

২৫. সুইজারল্যান্ডের প্রাচীন নাম?
উ: হেলভেটিয়া

২৬. ঐতিহাসিক লকারবি, স্কটল্যান্ড বিমান দুর্ঘটনা ঘটে?
উ: ২১ ডিসেম্বর, ১৯৮৮

২৭. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন কতজন?
উ: ৩জন ( Neville Chamberlain,Winston Churchill & Clement Attlee)

২৮. Warsaw Pact বিলুপ্ত হয়?
উ: ১ জুলাই, ১৯৯১

২৯. গণতন্ত্র সনদ সাক্ষরিত হয়?
উ: মে ২০০৬, লন্ডন

৩০. Gripen যে দেশের যুদ্ধবিমান?
উ: সুইডেন

৩১. The Organisation for the Prohibition of Chemical Weapons (OPCW) প্রতিষ্ঠিত হয়?
উ: 1997( H.Q: The Hague, Membership: 192 States)

৩২. ভারত জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে?
উ: ৩০ অক্টোবর, ১৯্মারক।


Monday, November 6, 2017

৩৮তম বিসিএস: , নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন: পার্টঃ ১


.
              নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন
                                পার্টঃ ১



নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন এই বিষটি বিসিএসে প্রায় নতুন টপিক। এখান থেকে ১০ টি প্রশ্ন করা হয়। কিছু কিছু প্রশ্নের সবগুলো অপশনই সঠিক মনে হয়। তবে একটু চিন্তা করলে সব থেকে বেস্ট উত্তরটা পাওয়া সম্ভব। তাই আজকের আয়োজন নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন। এখানে প্রথমে বিগত কয়েক বছরের প্রশ্ন ও উত্তর দিয়েছি যাতে প্রশ্ন সম্পর্কে একটা ক্লিয়ার কনসেপ্ট পাওয়া যায়। এরপর অনুশীলনের জন্য এইচ এস সি’র ’পৌরনীতি ও সুশাসন’ , নবম-দশম শ্রেণির পৌরনীতি ও নাগরিকতা এবং আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ বইয়ের সিলেবাসের সাথে মিল আছে এমন কিছু অধ্যায় এখানে দিয়েছি। আশা করি কাজে আসবে।
১। নৈতিক শক্তির প্রধান উপাদান কী?
উত্তরঃ সততা ও নিষ্ঠা
২। নৈতিকতাকে মানবজীবনের কী বলা হয় ?
উত্তরঃ নৈতিক আদর্শ।
৩। একজন যোগ্য প্রশাসক ও ব্যবস্থাপকের অত্যাবশ্যকীয় মৌলিক গুণাবলির মধ্যে শ্রেষ্ঠ কোনটি?
(ক) দায়িত্বশীলতা (খ) নৈতিকতা (গ) দক্ষতা (ঘ) সরলতা
উত্তরঃ (খ) নৈতিকতা।
৪। নীতিবিদ্যার আলোচ্য বিষয় কী?
উত্তরঃ সমাজে বসবাসকারী মানুষের আচরণের আলোচনা ও মূল্যায়ন।
৫। মানুষের কোন ক্রিয়া নীতিবিদ্যার আলোচ্য বিষয়?
উত্তরঃ ঐচ্ছিক ক্রিয়া।
৬। মূ্ল্যবোধ কী?
উত্তরঃ মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী নীতি ও মানদণ্ড।
৭। মূল্যবোধ শিক্ষার অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে-
উত্তরঃ সামাজিক অবক্ষয় রোধ করা।
৮। সামাজিক মূল্যবোধের ভিক্তি কী?
উত্তরঃ আইনের শাসন, সাম্য ও নৈতিকতা।
৯। আমাদের চিরন্তন মূল্যবোধ কোনটি?
উত্তরঃ সত্য ও ন্যায়।
১০। ব্যাক্তিগত মূল্যবোধ লালন করে
উত্তরঃ স্বাধীনতার মূল্যবোধকে
১১। একজন জনপ্রশাসকের মৌলিক মূল্যবোধ হলো-
উত্তরঃ জনকল্যাণ।
১২। ‘সুশাসন’ শব্দটি সর্বপ্রথম কোন সংস্থা সুস্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করে?
উত্তরঃ বিশ্বব্যাংক। ১৯৮৯ সালে।
১৩। UNDP সুশাসন নিশ্চিতকরণে কয়টি উপাদান উল্লেখ করেছে?
উত্তরঃ ৯ টি।
১৪। ‘‘সুশাসন বলতে রাষ্ট্রের সঙ্গে সুশীল সমাজের, সরকারের সাথে শাসিত জনগণের, শাসকের সঙ্গে শাসিতের সম্পর্ক বোঝায়’’ – উক্তিটি কার?
উত্তরঃ ম্যাককরনী।
১৫। সুশাসন হচ্ছে এমন এক শাসন ব্যবস্থা যা শাসক ও শাসিতের মধ্যে -
উত্তরঃ আস্থার সম্পর্ক গড়ে তোলে।
১৬। জনগণ, রাষ্ট্র ও প্রশাসনের সাথে ঘনিষ্ঠ প্রত্যয়ের নাম কী?
উত্তরঃ সুশাসন।
১৭। সুশাসনের পূর্বশর্ত কী?
উত্তরঃ মত প্রকাশের স্বাধীনতা।
১৮। সুশাসনের অন্যতম পূর্বশর্ত হচ্ছে-
উত্তরঃ অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন।
১৯। নিরপেক্ষ ও শক্তিশালী গণমাধ্যমের অনুপস্থিতি কিসের অন্তরায়?
উত্তরঃ সুশাসনের।
২০। সুশাসনের পথে অন্তরায়-
উত্তরঃ স্বজনপ্রীতি।
২১। সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে সুশাসনের কোন দিকের উপর গুরুত্ব দেয়া হয়েছে?
উত্তরঃ সুশাসনের অর্থনৈতিক দিক।
২২। সরকারি সিদ্ধান্ত প্রণয়নে কোন মূল্যবোধটি গুরুত্বপূর্ণ নয়?
(ক) বিশ্বস্ততা (খ) সৃজনশীলতা (গ) নিরপেক্ষতা (ঘ) জবাবদিহিতা
উত্তরঃ সৃজনশীলতা।


     এইচ এস সি পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র

প্রথম অধ্যায়ঃ পৌরনীতি ও সুশাসনের পরিচিতি
এ অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য;

১। বিশ্বব্যাংক সর্বপ্রথম ‘সুশাসনের’ ধারণা দেয় – ১৯৯৪ সালে। [৩৫ তম বিসিএস]
২। ‘সার্বিক উন্নয়নের লক্ষে একটি দেশের সামাজিক এবং অর্থনৈতিক সম্পদের ব্যবস্থাপনার জন্য ক্ষমতা প্রয়োগের পদ্ধতিই হলো গভার্নেন্স’ – বিশ্বব্যাংক।
৩। বিশ্বব্যাংক ২০০০ সালে সুশাসনের ৪ টি স্থম্ভের কথা প্রকাশ করে।
৪। বিশ্বব্যাংকের সুশাসনের স্থম্ভ চারটি হল: ক. দায়িত্বশীলতা খ. স্বচ্ছতা গ. আইনি কাঠামো ও ঘ. অংশগ্রহণ।
৫। UNDP সুশাসনের ৯ টি উপাদানের কথা বলেছে। [৩৭ তম বিসিএস]
৬। বর্তমান রাষ্ট্রসমূহের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো – সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা।
৭। প্রাচীনকালে নগররাষ্ট্র গড়ে উঠেছিলো – গ্রিসের এথেন্সে ও স্পার্টায়।
৮। জাতীয় রাষ্ট্র গড়ে উঠেছে – আধুনিক যুগে।
৯। ‘শাসক যদি ন্যায়বান হয় তাহলে আইন অনাবশ্যক, আর শাসক যদি দুর্নীতিপরায়ণ হয় তাহলে আইন নিরার্থক’ – বলেছেন প্লেটো।
১০। সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রের উদ্ভব ঘটে – ১৯১৭ সালে রাশিয়ায়/সোভিয়েত ইউনিয়নে।
দ্বিতীয় অধ্যায়ঃ সুশাসন
এ অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য;
১। ‘সুশাসন বলতে রাষ্ট্রের সাথে সুশীল সমাজের, সরকারের সাথে শাসিত জনগণের, শাসকের সাথে শাসিতের সম্পর্ককে বোঝায়’—বলেছেন—ম্যাককরনী। [৩৭ তম বিসিএস]
২। সুশাসনের একটি বড় সমস্যা হলো—জবাবদিহিতার অভাব।
৩। সুশাসন বাধগ্রস্ত হয়—আইনের শাসন না থাকলে।
৪। ‘সুশাসন’ ধারণাটি বিশ্বব্যাংক কর্তৃক উদ্ভাবিত হয়। [৩৫ তম বিসিএস]
৫। ১৯৮৯ সালে বিশ্ব ব্যাংক সুশাসন (Good Governance) প্রত্যয়টি ব্যবহার করেন।
৬। সুশাসন প্রতিষ্ঠায় প্রতিবন্ধকসমূহ হলো—জবাবদিহিতার অভাব, স্বজনপ্রীতি, দুর্নীতি ও দারিদ্র্য্ ।
৭। সুশাসনের পথে প্রধান অন্তরায় হলো—স্বজনপ্রীতি, দুর্নীতি ও অনিয়ম।
৮। জনগণ, রাষ্ট্র ও প্রশাসনের সাথে ঘনিষ্ঠ প্রত্যয়ের নাম - সুশাসন।
৯। নৈতিক শক্তির প্রধান উপাদান -সততা ও নিষ্ঠা।

          তৃতীয় অধ্যায়ঃ মূল্যবোধ, আইন, স্বাধীনতা ও সাম্য

। মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী নীতি ও মানদণ্ডকে বলে – মূ্ল্যবোধ [৩৫ তম বিসিএস]
। একজন জনপ্রশাসকের মৌলিক মূল্যবোধ হলো- জনকল্যাণ।
। মূল্যবোধ শিক্ষার অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে - সামাজিক অবক্ষয় রোধ করা।
। সামাজিক মূল্যবোধের ভিক্তি - আইনের শাসন, সাম্য ও নৈতিকতা।
। সভ্য সমাজের মানদণ্ড—আইনের শাসন।
। নৈতিক শক্তির প্রধান উপাদান - সততা ও নিষ্ঠা
। অর্থনৈতিক স্বাধীনতা বলতে বোঝায়—অভাব হতে মুক্তি।
। স্বাধীনতার রক্ষাকবচ—গণতন্ত্র।
। গ্রেট ব্রিটেনের আইন –প্রথানির্ভর।
। ‘আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান’ –একথা বলেছেন—অধ্যাপক ডাইসি।
। ‘Liberty’ শব্দের বাংলা অর্থ—স্বাধীনতা।

               চতুর্থ অধ্যায়ঃ ই-গভার্নেন্স ও সুশাসন

১। ইলেকট্রনিক গভার্নেন্স এর মূল লক্ষ্য হলো—সুশাসন প্রতিষ্ঠা।
২। ই-গভার্নেন্স সর্বত্র চালু হলে—স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে।
৩।‘ সুশাসন’ শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দ—Good Governance
৪। ই-গভার্নেন্স বলতে বোঝায়—ইলেকট্রনিক গভার্নেন্সকে।
৫। ই-গভার্নেন্স এর কার্যক্রম বিভক্ত—চার ভাগে।
পঞ্চম অধ্যায়ঃ নাগরিক অধিকার ও কর্তব্য এবং মানবাধিকার
। বিশ্ব মানবাধিকার দিবস—১০ ডিসেম্বর।
। মানবাধিকার ঘোষিত হয়েছে—জাতিসংঘের সাধারণ পনিষদে ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর।
। মৌলিক অধিকারের রক্ষাকবচ—সংবিধান।
। সকল অধিকারের উৎস—রাষ্ট্র।
। মানবাধিকার নিশ্চিত করার জন্য দরকার—গণতন্ত্র।
। নাগরিকের প্রধান কর্তব্য—রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করা।
। ভোটদান ও নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অধিকার হলো—রাজনৈতিক অধিকার।
। ‘খাতিলাভের অধিকার’—সামাজিক অধিকার।
         
                        সপ্তম অধ্যায়ঃ সরকার কাঠামো

১। সরকারের বিভাগ—তিনটি। যথা: ক. আইন বিভাগ খ. শাসন বিভাগ গ. বিচার বিভাগ
২। সংবিধানের অভিভাবক—বিচার বিভাগ।
৩। আইনকে বাস্তবে প্রয়ো করা –শাসন বিভাগের কাজ।
৪। আইনসভার প্রথম কক্ষকে বলে—নিম্মকক্ষ।
৫। আইনসভার দ্বিতীয় কক্ষকে বলে—উচ্চকক্ষ।
৬। বাজেট পাস বা অনুমোদন করে—আইন বিভাগ।
৭। যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভার নাম—কংগ্রেস।
৮। যুক্তরাজ্যের আইনসভার নিম্মকক্ষের নাম—কমন্স সভা।
৯। আমেরিকার আইনসভার উচ্চকক্ষের নাম—সিনেট। নিম্মকক্ষ প্রতিনিধি সভা।
১০। বাংলাদেশের আইনসভা—এক কক্ষবিশিষ্ট।
১১। অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন—শাসন বিভাগ।
১২। বেনিটো মুসোলিনি একনায়ক ছিলেন—ইতালির।
১৩। ধর্মতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থায় সার্বভৌমত্বের মালিক—আল্লাহ বা সৃষ্টিকর্তা।
১৪। ধর্মতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থা প্রচলিত রয়েছে—ইরান ও ভ্যাটিকান সিটিতে।
১৫। ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতির প্রবক্তা—মন্টেস্কু। তিনি ফ্রান্সের অধিবাসী।
১৬।গঠনগত দিক থেকে আইনসভা বিভক্ত—দুইভাগে।
১৭। দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালন করা—বিচার বিভাগের কাজ।
১৮। গণতন্ত্রের মূলমন্ত্র—সাম্য, স্বাধীনতা ও ভ্রাতৃত্ব।
১৯। ফোয়েডাস শব্দের অর্থ—সন্ধি/মিলন।
২০। বাংলাদেশ রাষ্ট্রটি—গণতান্ত্রিক।
২১। আব্রাহাম লিংকন প্রেসিডেন্ট ছিলেন—যুক্তরাষ্ট্রের (১৬ তম)।
২২। কিউবার সরকার ব্যবস্থা—সমাজতান্ত্রিক।

           নবম অধ্যায়ঃ জনসেবা ও আমলাতন্ত্র

১। আদর্শ আমলাতন্ত্রের জনক—ম্যাক্স ওয়েবার।
২। ‘লাল ফিতার দৌরাত্ম্য’ দেখা যায়—আমলাতন্ত্রে।
৩। অনুন্নত বিশ্বে আমলারা নিজেদের মনে করে—জনগণের প্রভু।
৪। আমলাতন্ত্রের ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো—Bureaucracy
৫। আমলাতান্ত্রিক প্রশাসনে নিয়োগ করা হয়—মেধার ভিক্তিতে।
৬। সরকারের সিদ্ধান্ত ও নীতি বাস্তবায়ন করেন—আমলা প্রশাসকগণ।
৭। কর্মকর্তা কর্মচারিগণ জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকে—ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নিকট।
৮। আমলাতন্ত্রে বিভিন্ন পদের শ্রেণিবিন্যাস করা হয়—পদসোপান নীতি অনুসারে।
৯। সরকার পরিবর্তিত হলোও দায়িত্ব ও কর্তৃত্বে থেকে যান—আমলা প্রশাসকগণ।
১০। আমলাদের নিয়োগবিধি নির্ধারণ করা হয়—সংসদের আইন দ্বারা।
১১। আইনকে বাস্তবে প্রয়োগ করেন—আমলা প্রশাসকগণ।
১২। আমলাদের কাজ –সরকারের নীতি বাস্তবায়ন।
১৩। আদালতের সিদ্ধান্ত কার্যকর করে থাকেন—আমলা প্রশাসকগণ।
১৪। আমলাদের সাথে জনগণের সম্পর্ক—আনুষ্ঠানিক ও দাপ্তরিক।
১৫। নীতি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন—মন্ত্রীগণ।
১৬। আমলতন্ত্র জনগণের কাছে অপ্রিয় হয়ে ওঠে--‘লাল ফিতার দৌরাত্ম্য’ এর কারনে।

               দশম অধ্যায়ঃ দেশপ্রেম ও জাতীয়তা

১। জাতি রাষ্ট্রের স্বপ্নদ্রষ্টা –ম্যাকিয়াভেলি।
২। বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক—বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
৩। বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের মূল প্রেরণা—বাঙালি জাতীয়তা।
৪। বাংলাদেশের জনগণের নাগরিক পরিচয় বা জাতীয়তা – বাংলাদেশি।
৫। ফরাসি বিপ্লব হয়—১৭৮৯ সালে।
৬। মার্টিন লুথার কিং আন্দোলন করেন—পোপের বিরূদ্ধে।
৭। জাতীয়তার মাত্রা –২ টি।
৮। ম্যাকিয়াভেলি—ইতালিয়ান নাগরিক।
৯। ভার্সাই চুক্তি সম্পাদিত হয়—১৯১৯ সালে।
১০। পরাধীনতা শৃঙ্খলে আবদ্ধ ছিলো—১৭৪ টি দেশ।
১১। জাতীয়তার চূড়ান্ত রূপ হলো—জাতি।
১২। বাংলাদেশের জনগণের নৃতাত্বিক জাতীয়তা—বাঙালি।
১৩। হিটলার ও মুসোলিনির সরকার ব্যবস্থা –একনায়কতান্ত্রিক।
১৪। জাতীয়তাবাদের চেতনার ফসল—জাতি।

                  নবম দশম শ্রেণি - পৌরনীতি ও নাগরিকতা

                  পঞ্চম অধ্যায়ঃ সংবিধান

। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক – অ্যারিস্টটল।
। ‘ম্যাগনাকার্টা’ সনদ স্বাক্ষরিত হয় ইংল্যান্ডের রাজা জন কর্তৃক -১২১৫ সালে।
। বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন পদ্ধতি হচ্ছে – আলাপ-আলোচনার মধ্যমে প্রণীত সংবিধান।
। লেখার ভিক্তিতে সংবিধান দুই প্রকার। যথাঃ ক. লিখিত সংবিধান খ. অলিখিত সংবিধান
। বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্রে সংবিধান লিখিত সংবিধান। ব্রিটিশ সংবিধান অলিখিত।
। সংশোধনের ভিক্তিতে সংবিধান দুই প্রকার। যথাঃ- ক. সুপরিবর্তনীয় সংবিধান খ. দুষ্পরিবর্তনীয় সংবিধান।
। ব্রিটিশ সংবিধান সুপরিবর্তনীয়। বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান দুষ্পরিবর্তনীয়।
। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে সংবিধান প্রণয়নের জন্য ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়। এর সভাপতি ছিলেন –ড. কামাল হোসেন।
। খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম বৈঠক বসে – ১৯৭২ সালের ১৭ এপ্রিল।
। ১২ অক্টোবর ১৯৭২ সালে খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপিত হয়। [১৪ তম বিসিএস]
। খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপন করেন ড. কামাল হোসেন।
। ৪ নভেম্বর ১৯৭২ সালে খসড়া সংবিধান গণপরিষদে গৃহীত হয়।
। বাংলাদেশের সংবিধান প্রবর্তিত / কার্যকর করা হয়- ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ সাল। [১০ ম বিসিএস]
। বাংলাদেশের সংবিধানে ১৫৩ টি অনচ্ছেদ, ১১ টি ভাগ, একটি প্রস্তাবনা ও ৭ টি তফসিল রয়েছে।
। বাংলাদেশের সংবিধান দুষ্পরিবর্তনীয়। তবে পরিবর্তন বা সংশোধন করতে দুই তৃতীয়াংশ সদস্যের সম্মতি লাগবে
। রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি ৪ টি। যথাঃ- ক. জাতীয়তাবাদ, খ. সমাজতন্ত্র. গ. গণতন্ত্র ঘ. ধর্মনিরপেক্ষতা।
। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন হলো – সংবিধান।
। সংবিধান অনুযায়ীএদেশের নাগরিকরা ভোটাধিকার লাভ করতে পারবে --১৮ বছর বয়স হলে ।
। বাংলাদেশের সংবিধানে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা বা মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।
। বাংলাদেশ একটি এক কেন্দ্রিক রাষ্ট্র। বাংলাদেশের আইনসভা এক কক্ষবিশিষ্ট। আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ
। জাতীয় সংসদে ৩৫০ টি আসন রয়েছে। মহিলাদের জন্য ৫০ টি আসন সংরক্ষিত রয়েছে।
। বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ—এককক্ষবিশিষ্ট। [৩৬ তম বিসিএস]
। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন হলো- সংবিধান। জাতীয় সংসদের মেয়াদ ৫ বছর।
। বাংলাদেশে এ পর্য্ন্ত সংবিধান সংশোধন হয়েছে –১৫ বার। (১৬ তম বাতিল) [৩৩ তম বিসিএস]
। সংবিধানের প্রথম সংশোধনী হয় –১৫ জুলাই ১৯৭৩ সালে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করার জন্য। [২১ তম বিসিএস]
। দ্বিতীয় সংশোধনী হয় –২০ সেপ্টেম্বর ১৯৭৩ সালে। ‘জরুরি অবস্থা’ ঘোষণার ক্ষমতা দেওয়ার জন্য।
। তৃতীয় সংশোধনী হয় – ২৩ নভেম্বর ১৯৭৪ সালে। মুজিব-ইন্দিরা গান্ধীর বাংলাদেশ- ভারত সীমান্ত চুক্তি অনুযায়ী বেরুবাড়িকে ভারতের নিকট হস্তান্তরের বৈধতার জন্য।
। চতুর্থ সংশোধনীর হয় – ২৫ জানুয়ারি ১৯৭৫ সালে। সংসদীয় সরকারব্যবস্থার পরিবর্তে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন। উপরাষ্ট্রপতির পদ সৃষ্টি। সব রাজনৈতিক দল বিলুপ্তি ও একটিমাত্র জাতীয় দল সৃষ্টি।
। পঞ্চম সংশোধনী হয় – ৬ এপ্রিল ১৯৭৯ সালে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর থেকে ১৯৭৯ সালের ৫ এপ্রিল পর্য্ন্ত সামরিক সরকারের সকল কর্মকাণ্ডের বৈধতা দান। রাষ্ট্রীয় মূলনীতির পরিবর্তন। বাংলাদেশের নাগরিকতা ‘বাঙ্গালি’ থেকে ‘বাংলাদেশি’ করা।
। অষ্টম সংশোধনী হয়—৭ জুন ১৯৮৮ সালে। বাংলাদেশের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম এবং ঢাকার বাইরে হাইকোর্টের ৬ টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপন। Dacca থেকে Dhaka এবং Bengali থেকে Bangla পরিবর্তন।
। দ্বাদশ সংশোধনী হয়—৬ আগষ্ট ১৯৯১ সালে। রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারব্যবস্থার পরিবর্তে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তন। উপরাষ্ট্রপতির পদ বিলুপ্তি। [১৬, ২০ তম বিসিএস]
। এয়োদশ সংশোধনী হয়– ২৭ মার্চ ১৯৯৬ সালে। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রবর্তন।
। চতুর্দশ সংশোধনী হয়—১৬ মে ২০০৪ সালে। মহিলাদের জন্য ৪৫ টি আসন। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতিকৃতি সংরক্ষণ। সুপ্রিমকোর্টের বিচারক, পিএসসির চেয়ারম্যানের অবসরের বয়সসীমা বৃদ্ধি। অর্থ বিল ও সংসদ সদস্যদের শপথ।
। পঞ্চদশ সংশোধনী হয়—৩০ জুন ২০১১ সালে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলুপ্তিকরণ। ১৯৭২ এর মূল সংবিধানের রাষ্ট্রীয় চার মূলনীতি যথাঃ জাতীয়তবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা পুনঃপ্রবর্তন। নারীদের জন্য সংসদে সংরক্ষিত ৫০ টি আসন। [৩৬ ৩ম বিসিএস]
। ষোড়শ সংশোধনী হয়—১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৪ সালে। সুপ্রিমকোর্টের বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে ফিরিয়ি আনার বিধান পুনঃপ্রবর্তন।
। সংবিধানের ১ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে – প্রজাতন্ত্র সম্পর্কে।
। সংবিধানের ৬(২) নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে –বাংলাদেশের নাগরিকগণ সম্পর্কে। [২৬ তম বিসিএস]
। সংবিধানের ১১ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে – গণতন্ত্র ও মানবাধিকার সম্পর্কে।
। সংবিধানের ১২নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে – ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা সম্পর্কে।
। সংবিধানের ১৯নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে – সুযোগের সমতা সম্পর্কে।
। সংবিধানের ২১ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে – নাগরিক ও সরকারি কর্মচারিদের কর্তব্য সম্পর্কে।
। সংবিধানের ২২ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে – নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ সম্পর্কে।
। সংবিধানের (২৬ থেকে ৪৭ক) নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে – মৌলিক অধিকার সম্পর্কে।
। সংবিধানের ২৭ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে – আইনের দৃষ্টিতে সমতা সম্পর্কে। [২৪ তম বিসিএস]
। সংবিধানের ২৮(২) নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে – নারী –পুরুষ সমতা সম্পর্কে। [২১, ২৭ তম বিসিএস]
। সংবিধানের ২৯ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে – সরকারী নিয়োগলাভে সমতার সুযোগ সম্পর্কে।
। সংবিধানের ৪৯ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে – রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ক্ষমা প্রদর্শন সম্পর্কে।
। সংবিধানের নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে – সম্পর্কে।
। সংবিধানের ৫৯ ও ৬০ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে – স্থানীয় সরকার সম্পর্কে।
। সংবিধানের ৭৭ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে – ন্যায়পাল সম্পর্কে।
। সংবিধানের ১০২ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে – রিট পিটিশন সম্পর্কে।
। সংবিধানের ১১৭ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে – প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল সম্পর্কে। [৩৫ ৩ম বিসিএস]
। সংবিধানের ১১৮ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে – নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা সম্পর্কে।
। সংবিধানের ১২৭ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে – মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক সম্পর্কে।
। সংবিধানের ১৩৩ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে – সরকারি চাকরিতে নিয়োগ ও শর্তাবলী সম্পর্কে।
। সংবিধানের ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে – সরকারি কর্মকমিশন প্রতিষ্ঠা সম্পর্কে। [২২, ৩১, ৩৭ তম বিসিএস]
। সংবিধানের ১৪১ক নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে – জরুরি অবস্থা ঘোষণা সম্পর্কে।
। সংবিধানের ১৪২নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে – সংবিধানের বিধান সংশোধনের সম্পর্কে।
। সংবিধানের ৫ম তফসিলে বলা হয়েছে—৭ মার্চের ভাষণ সম্পর্কে।
। সংবিধানের ৬ষ্ঠ তফসিলে বলা হয়েছে—২৬ শে মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা সম্পর্কে।
। সংবিধানের ৭ম তফসিলে বলা হয়েছে—১০ এপ্রিল ১৯৭১ সালের মুজিব নগরের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।
। সংবিধান অনুযায়ী আপীল বিভাগের মোট বিচারক হবে—১১ জন।
। কোনো ব্যক্তির ভোটাধিকার পাওয়ার ন্যূনতম বয়স—১৮ বছর।
। বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে ক্যাডার সংখ্যা—২৭ টি।
। সর্বশেষ বিলুপ্ত করা ক্যাডার দুটি যথাক্রমে—বিচার ক্যাডার (২০০৭) ও টেলিকমিউনিকেশন ক্যাডার (২০১৪)।

          ষষ্ঠ অধ্যায়ঃ বাংলাদেশের সরকারব্যবস্থা

১। রাষ্ট্রপতি হওয়ার জন্য সর্বনিম্ম বয়স—৩৫ বছর।
২। বাংলাদেশের শাসন বিভাগের সর্বেচ্চ ব্যক্তি—রাষ্ট্রপতি।
৩। বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতদের নিয়োগ দেন –রাষ্ট্রপতি।
৪। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কাজের সমন্বয় করেন—প্রধানমন্ত্রী।
৫। জাতীয় স্বার্থের রক্ষক বলা হয়—প্রধানমন্ত্রীকে।
৬। দেশের প্রতিরক্ষা বাহিনী গঠনের দায়িত্ব—মন্ত্রিসভার।
৭। বর্তমানে বাংলাদেশে বিভাগ আছে—৮টি।
৮। সর্বশেষ বিভাগ—ময়মনসিংহ।
৯। প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু –সচিবালয়।
১০। বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো—দুই স্থর বিশিষ্ট্।

                        গুরুত্বপূর্ণ নোটস
                         র্নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন

১। সুশাসন ধারণাটির উদ্ভাবক /সুশাসন প্রত্যয়টি উদ্ভাবক - ১৯৮৯ সালে, বিশ্বব্যাংক।
২। সুশাসন ধারণাটি উদ্ভাবনের পিছনের প্রেক্ষাপট ছিল আফ্রিকা মহাদেশে বিশ্বব্যাংকের ব্যর্থতা।
৩। সুশাসন ধারণাটি প্রথম ব্যবহার করেন বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট কনাবলে।
৪। সুশাসন ধারণাটির ব্যাখ্যা দেন ১৯৯৭ সালে UNDP,
৫। সুশাসন ধারণাটি সর্বপ্রথম প্লেটো দ্য রিপাবলিক গ্রন্থে পাওয়া যায়।
৬। বিশ্বব্যাংক 'শাসন ও উন্নয়ন' শীর্ষক প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে ১৯৯২ সালে।
৭। IDA সুশাসনের প্রতিবেদন প্রকাশ করে ১৯৯৮ সালে।
৮। ADB প্রকাশ করে ১৯৯৫ সালে।
৯। সুশাসন শব্দের অর্থ - Good Governance।
১০। ই-গভর্নেন্স=ই-গণতন্ত্র+ই-সরকার।
১১। সরকারি অফিস-আদালতে ও কর্মকর্তা-কর্মচারি পারস্পরিক ক্রিয়া প্রতিক্রিয়ার ডিজিটাল রূপ- G2G.
১২। ই-গভর্নেন্স শব্দটির ব্যবহার শুরু হয় ১৯৯০ সালের শেষের দিকে।
১৩। আমেরিকায় ২০০২ সালে ই-গভর্নেন্স অ্যাক্ট পাস হয়।
১৪। মানবাধিকারের প্রবক্তা -জাতিসংঘ।
১৫। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে মানবাধিকার গৃহীত ও ঘোষিত হয় ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর।
১৬। জাতিসংঘের মানবাধিকার সনদে চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে ১৯নং অনুচ্ছেদ কিন্তু বাংলাদেশর সংবিধানে দেওয়া হয়েছে ৩৯নং অনুচ্ছেদে।
১৭। কৌটিল্যের মতে সুশাসনের উপাদান -৪টি।
১৮। UNDP সুশাসন নিশ্চিতকরণে উপাদান উল্লেখ করেছে - ৯ টি।
১৯। UNDP এর মতে - ৬টি
২০। UNHRC এর মতে- ৫ টি
২১। IDA এর মতে - ৪ টি
২২। AFDB এর মতে- ৫টি
২৩। জাতিসংঘ এর মতে - ৮টি
২৪। IMF -good governance এজেন্ডাটি গ্রহণ করে -১৯৯৬ সালে।
২৫। সুশাসনের বড় অন্তরায়- দুর্নীতি।
২৬। সুশাসন ধারণাটি বিমূর্ত ও বহুমুখী।
২৭। কল্যান রাষ্ট্রের ধারণা পাওয়া যায় প্লেটোর দ্যা রিপাবলিক গ্রন্থে।
২৮। সর্বপ্রথম ন্যায়পাল পদ সৃষ্টি হয় ১৮০৯ সালে সুইডেনে।
২৯। গ্রেটব্রিটেনে ১৯৬৭ সালে এবং বাংলাদেশে ১৯৮০ সালে।
৩০। বাংলাদেশে বিচারবিভাগ স্বাধীনতা লাভ করে ১ নভেম্বর ২০০৭ সালে যা সংবিধানের ২২ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে।
৩১। বাংলাদেশে স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন গঠিত হয় ২০০৪ সালে।
৩২। বাংলাদেশে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন গঠিত হয় ২০০৮ সালে।
৩৩। বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে ন্যায়পাল অাইন পাস হয় ১৯৮০ সালে।
৩৪। ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতির শ্রেষ্ঠ প্রবক্তা - মন্টেস্কু
৩৫। The Spirit of Laws- মন্টেস্কু।
৩৬। The Spirit of Islam - সৈয়দ আমীর আলী।
৩৭। মূল্যবোধের চালিকাশক্তি - সংস্কৃতি।
৩৮। "মূল্যবোগ হলো ব্যক্তি বা সামাজিক দলের অভিপ্রেত ব্যবহারের সুবিন্যস্ত প্রকাশ ‘‘ উক্তিটি
-- এম.ডব্লিউ পামফ্রে।
৩৯। মূল্যবোধ হলো মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী নীতি ও মানদণ্ড।
৪০। মূল্যবোধ শিক্ষা হলো নৈতিকতা সম্বন্ধে চেতনা প্রদায়ী শিক্ষা।
৪১। মূল্যবোধ শিক্ষা শুরু হয় পরিবারে কিন্তু বিকশিত হয় সমাজে।
৪২। মূল্যবোধের অপর নাম নৈতিকতা।
৪৩। মূল্যবোধ জাগ্রত করে নীতিশাস্ত্র।
৪৪। নৈতিকতা ও ঔচিত্যবোধের বিকাশভূমি -সমাজ।
৪৫। বিশ্বাসের অন্তর্নিহিত মূল্য -- মূল্যবোধ(Values)।
৪৬। সুশাসনের ভিত্তিতে মজবুত করতে মূল্যবোধ -সভ্যতা ,সংস্কৃতি, ঐতিহ্য সংরক্ষণের শিক্ষা দেয়।
৪৭। মূল্যবোধের সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ উপাদান - নীতি ও ঔচিত্যবোধ।
৪৮। আধুনিক বিশ্ব খুব বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে -ব্যক্তিগত মূল্যবোধে।
৪৯। প্রতিটি শিশুই ব্যক্তিগত মূল্যবোধ নিয়ে জন্মায়।
৫০। প্লেটো ও এরিস্টটল বাহ্যিক মূল্যবোধের উপর গুরুত্ব দিয়েছেন।
৫১। নৈতিকতা হচ্ছে নীতিঘটিত বা নীতি সংক্রান্ত বিষয় যা মূলনীতি, সৎনীতি বা উৎকর্ষ নীতিকে ধারণ করে।
৫২। নৈতিকতা - ইংরেজি প্রতিশব্দ Morality.
৫৩। নৈতিকতা দর্শন শাস্ত্রের শাখা।
৫৪। নৈতিকতা - ব্যক্তির মর্যাদা ও গুন।
৫৫। নৈতিকতার বিধান- ঐচ্ছিক।
৫৬। নৈতিকতার প্রধান উৎস- বিবেক।
৫৭। শুদ্ধাচার- শব্দের অর্থ- চরিত্রনিষ্ঠা।
৫৮। নৈতিকতা ও মূল্যবোধের যথার্থ বিকাশ ঘটায় -সুশাসন।
৫৯। বাংলাদেশের সংবিধানে জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতার বিধান সংযোজন করা হয়েছে - ১৮ নং অনুচ্ছেদে।
৬০। Virtue is knowledge - সক্রেটিস।
৬১। The elements of Ethics- Bertrand Russell
৬২। পরানীতিবিদ্যা- Metaethics.
৬৩। পরানীতিবিদ্যার সূচনাকারী - জি. ই. ম্যূর(G.E. Moore)
৬৪। G.E.Moore তাঁর Principia Ethica গ্রন্থে পরাবিদ্যার আলোচনা করেন।
৬৫। নীতিবিদ্যা -Ethics
৬৬। নীতিতত্ত্ব- Ethology
৬৭। ধর্মতত্ত্ব- Theology

  Abu Horaira

Ads

বিসিএস গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রস্ন

          ৩৮তম বিসিএস প্রিলি প্রস্তুতি ১) 'Venus de milo' কি?? a) একটি চিত্রশিল্প b) একটি সাহিত্যকর্ম c) একটি ভাস্কর্য★★ d) এক...